মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট গত শুক্রবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈশ্বিক শুল্ক বাতিল করেন। এর পর সাময়িকভাবে সব বাণিজ্য অংশীদারের ওপর ১০ শতাংশ হারে শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন তিনি এবং একদিন পর তা বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করেন।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আরোপিত বৈশ্বিক শুল্কনীতি বাতিল করেছেন মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট। এর পর তিনি নতুন শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেয়ায় ইউরোপিয়ান কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, গত বছর হওয়া ইইউ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তির শর্ত মানতেই হবে। খবর গণমাধ্যম।
ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন–এর ২৭টি সদস্য রাষ্ট্রের পক্ষে বাণিজ্য নীতি নিয়ে আলোচনা করে ইউরোপিয়ান কমিশন। সংস্থাটি বলছে, সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর যুক্তরাষ্ট্র কী পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে, বিষয়টি সম্পর্কে ওয়াশিংটনকে স্পষ্টভাবে জানাতে হবে।
মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট গত শুক্রবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈশ্বিক শুল্ক বাতিল করেন। এর পর সাময়িকভাবে সব বাণিজ্য অংশীদারের ওপর ১০ শতাংশ হারে শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন তিনি এবং একদিন পর তা বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করেন।
কমিশন এক বিবৃতিতে বলেছে, গত বছরের উভয় পক্ষ যে ‘ন্যায্য, ভারসাম্যপূর্ণ ও পারস্পরিকভাবে লাভজনক’ ট্রান্সআটলান্টিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগের কথা বলেছিল, বর্তমান পরিস্থিতি তা বাস্তবায়নের জন্য অনুকূল নয়। তবে ‘চুক্তি মানেই চুক্তি।’
প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় শুক্রবার কমিশন শুধু বলেছিল, তারা সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা করছে এবং মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। কিন্তু গতকালের বক্তব্য ছিল অনেক বেশি কড়া।
গত বছরের বাণিজ্য চুক্তি অনুযায়ী, ইইউর অধিকাংশ পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কহার ১৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে ইস্পাতের মতো খাতভিত্তিক শুল্কের আওতায় থাকা পণ্য এর বাইরে ছিল। এছাড়া উড়োজাহজ ও খুচরা যন্ত্রাংশের মতো কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে শূন্য শুল্কের সুবিধা দেয়া হয়। এর বদলে ইইউ অনেক মার্কিন পণ্যের ওপর আমদানি শুল্ক তুলে নেয় এবং পাল্টা উচ্চ শুল্ক আরোপের হুমকি প্রত্যাহার করে।
কমিশন বলেছে, বিশেষ করে, ইইউ পণ্যগুলোকে অবশ্যই সবচেয়ে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা পেতে হবে এবং পূর্বে সম্মত সর্বোচ্চ সীমার বাইরে কোনোভাবেই শুল্ক বাড়ানো যাবে না।
অনিশ্চিত শুল্কনীতি বৈশ্বিক বাজারে বিঘ্ন সৃষ্টি এবং আস্থা দুর্বল করে বলেও মন্তব্য করেছে ইউরোপিয়ান কমিশন।
অর্থসূচক/



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.