ভূমধ্যসাগরে নৌকা ডুবে ১৫ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু

আবারও ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে অন্তত ১৫ জনের প্রাণহানি হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বুধবার এই তথ্য জানিয়েছে এএফপি।

গতকাল মঙ্গলবার তুরস্কের কাছাকাছি অবস্থিত চিওস দ্বীপের উপকূলবর্তী অঞ্চলে এই ঘটনা ঘটে। অভিবাসনপ্রত্যাশী বহনকারী নৌকাটি গ্রিক কোস্টকার্ডের একটি নৌযানে ধাক্কা দিলে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ১১ শিশুকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দুই আহত কোস্টগার্ড সদস্যও হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। বুধবার সকালেও পাঁচটি নৌকা ও হেলিকপ্টার ব্যবহার করে সাগরে উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছিল। তবে ওই নৌকায় মোট কতজন যাত্রী ছিল, তা জানাতে পারেনি কোস্টগার্ড।

গ্রিক কোস্টগার্ডের বিবৃতিতে বলা হয়, একটি দ্রুতগতিতে চলমান নৌকা কোস্টগার্ডের স্পষ্ট সংকেত দেখতে ও শুনতে পেয়েও তা মানেনি। ন্যাভিগেশন বাতি নিভিয়ে রাখা নৌকাটিতে বিদেশি যাত্রী ছিল। (সংকেত না মেনে) চালক নৌকাটি উল্টোদিকে ঘুরিয়ে ফেলার চেষ্টা করেন। সে সময় এটি কোস্ট গার্ডের টহল নৌযানের স্টারবোর্ড অংশে ধাক্কা দেয়। এই ধাক্কার দমকে নৌকাটি ডুবে যায়। সাগর থেকে তিন নারীসহ ১৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। অপর এক নারীকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও পরবর্তীতে আঘাত থেকে তার মৃত্যু হয়।

প্রতি বছর ইউরোপ পৌঁছানোর জন্য অসংখ্য অভিবাসনপ্রত্যাশী মানুষ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে নৌকায় চেপে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেন।

জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা নভেম্বরে জানায়, ২০২৫ সালে ভূমধ্যসাগর পারি দিয়ে ইউরোপ ও আফ্রিকার পশ্চিম উপকূল হয়ে আটলান্টিক মহাসাগর পারি দিতে গিয়ে এক হাজার ৭০০ মানুষ মৃত অথবা নিখোঁজ হয়েছেন।

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.