আন্তর্জাতিক মর্যাদাপূর্ণ ‘২০২৫ গ্রেট প্লেস টু ওয়ার্ক’ স্বীকৃতি অর্জন করেছে নেক্সট বাংলাদেশ, এবং এর গ্লোবাল শাখা নেক্সট শ্রীলঙ্কা ও নেক্সট মালয়েশিয়া। কর্মস্থলে ইতিবাচক সংস্কৃতি এবং কর্মীদের জন্য সহায়ক ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য নেক্সটকে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এই সাফল্য নেক্সট বাংলাদেশকে সেই প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকায় জায়গা করে দিয়েছে, যারা কর্মচারীদের দক্ষতার উন্নয়ন ও উন্নত সুযোগ সুবিধা সম্পন্ন কর্মস্থলের জন্য বিশ্বব্যাপী পরিচিত।
‘গ্রেট প্লেস টু ওয়ার্ক’ সার্টিফিকেশন বিশ্বজুড়ে কর্মক্ষেত্রে একটি অন্যতম স্বীকৃতি। এটি একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের মতামত, লিডারশিপ-এর প্রতি তাদের আস্থা এবং কর্মক্ষেত্রের সামগ্রিক পরিবেশ মূল্যায়নের পর দেওয়া হয়। অর্থাৎ একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা সেই প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে কতটা স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে, তারই প্রতিফলন ফুটে ওঠে সার্টিফিকেশনের মাধ্যমে।
নেক্সট বাংলাদেশের এই অর্জন নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে প্রতিষ্ঠানটির এইচআর হেড বিদ্যুৎ সেনগুপ্ত বলেন, এই স্বীকৃতি আমাদের প্রতিটি অফিসে গড়ে তোলা ইতিবাচক কর্মসংস্কৃতিরই প্রতিফলন। গ্লোবাল পরিসরে আমাদের পরিধি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা এমন একটি পরিবেশ তৈরি করেছি, যেখানে কর্মচারীদের যথাযথ মূল্যায়ন ও ক্ষমতায়ন করা হচ্ছে। ফলে তারা আত্মবিশ্বাসের সাথে নিজেদের স্কিল ডেভেলপমেন্টে মনোযোগ দিতে পারছেন, এবং সেক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সাহায্য-সহযোগিতা ও তারা পাচ্ছেন। কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন ও উন্নত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে আমাদের ধারাবাহিক উদ্যোগ এবং সম্মিলিত পরিশ্রমের ফলেই এই স্বীকৃতি পাওয়া গেছে।
উন্নত কর্মসংস্কৃতি ও কর্মচারীদের সার্বিক বিকাশে গুরুত্ব দেওয়ার কারণেই নেক্সট বাংলাদেশ এই স্বীকৃতি পেয়েছে। নেক্সট বাংলাদেশ তার কর্মচারীদের জন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, লিডারশিপ কোচিং এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে কাজের সুযোগ নিশ্চিত করে। এসব উদ্যোগ কর্মচারীদের পেশাগত দক্ষতা যেমন বাড়ায়, তেমনি ব্যক্তিগত উন্নয়নেও সহায়তা করে। পাশাপাশি টিমগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং বিভিন্ন দেশের কর্মপরিবেশ উপযোগী নীতিমালা গ্রহণ এবং বাস্তবায়ন করায়, নেক্সট ধীরে ধীরে সকলের কাছে একটি পছন্দের কর্মক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। সব মিলিয়ে, নেক্সট এখন কর্মস্থল হিসেবে তরুণ প্রজন্মের কাছে পছন্দের শীর্ষে অবস্থান করছে।



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.