চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) যে পরিমাণ বৈদেশিক ঋণ ছাড় করেছে উন্নয়ন সহযোগীরা, প্রায় একই পরিমাণ অর্থ পরিশোধও করেছে বাংলাদেশ।
রবিবার (৩০ নভেম্বর) প্রকাশিত অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) হালানাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাই-অক্টোবর সময়ে উন্নয়ন সহযোগীরা ছাড় করে ১ দশমিক ৬৬ বিলিয়ন ডলার। আর এসময়ে বাংলাদেশ বিভিন্ন ঋণের সুদ ও আসল মিলিয়ে পরিশোধ করেছে ১ দশমিক ৫৮৫ বিলিয়ন ডলার।
একই সময়ে বৈদেশিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি বেড়েছে ৩৭৫ শতাংশ। আর ঋণের অর্থছাড় বেড়েছে ৩৮ দশমিক ৫১ শতাংশ।
ইআরডির প্রতিবেদন অনুযায়ী, অর্থবছরের প্রথম চার মাসে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে বৈদেশিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে ১ দশমিক ২০৮ বিলিয়ন ডলারের। এর আগের অর্থবছরের একই সময়ে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে প্রতিশ্রুতি পাওয়া গিয়েছিল মাত্র ২৫৪.৫৭ মিলিয়ন ডলার। মূলত গত অর্থবছরের জুলাইয়ে গণঅভ্যুত্থান ও সরকার পরিবর্তনের কারণে বৈদেশিক ঋণের সব ধরণের কর্মকাণ্ড একেবারে ধীর গতিতে চলে আসে। একারণে বিভিন্ন ঋণের আলোচনা প্রক্রিয়াও প্রায় থেমে ছিল।
অন্যদিকে জুলাই-অক্টোবর সময়ে উন্নয়ন সহযোগীরা অর্থছাড় করে ১ দশমিক ৬৬ বিলিয়ন ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে যা ছিল ১ দশমকি ২০ বিলিয়ন ডলার।
অর্থসূচক/



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.