নারী ফুটবলারদের প্রতি বৈষম্য কেন অবৈধ নয়, হাইকোর্টের রুল
পুরুষ ফুটবলারদের তুলনায় নারী ফুটবলারদের বেতন-ভাতা, সুযোগ-সুবিধায় বৈষম্য কেন অবৈধ ও বেআইনি হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব, জাতীয় ফুটবল ফেডারেশন কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্টদের আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এ সংক্রান্ত রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রবিবার (৩০ নভেম্বর) বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সুমাইয়া বিনতে তানভীর। তার সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার আরিজা মেহেলী খান।
পরে রিটকারী আইনজীবী জানান, নারী ও পুরুষ ফুটবলদের সবক্ষেত্রে বৈষম্য বিদ্যমান। পুরুষ ফুটবলার বছরে ৫০/৬০ লাখ বেতন পান। অথচ নারী ফুটবলার বছরে ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা বেতন পান। নারী ফুটবলারদের নিয়মিত বেতন দেওয়া হয় না। তাদের আবাসন সুবিধা নেই। নারী ফুটবলারদের নিয়মিত লীগ আয়োজন করা হয় না। কোনও খেলায় জিতলে পুরুষ ফুটবলারদের ৫ লাখ টাকা করে প্রণোদনা দেওয়া হয়। নারী ফুটবলারদের নামকাওয়াস্তে প্রণোদনা দেওয়া হয়। সাফ ফুটবল জয়ের পর নারী ফুটবল টিমকে দেড় কোটি টাকা প্রণোদনা দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল- সেই টাকা এখনও দেওয়া হয়নি।
এসব বৈষম্য চ্যালেঞ্জ করে গত সপ্তাহে হাইকোর্টে জনস্বার্থে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সুমাইয়া তানভীর ও ব্যারিস্টার আরিজা মেহেলী খান। সে রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রুল জারি করলেন হাইকোর্ট।



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.