আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ স্টেডিয়ামে আফগানদের ২ উইকেটে হারিয়েছে তারা। এর মধ্য দিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই ৩ ম্যাচ সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে টাইগাররা।
তবে টি-টোয়েন্টির সিরিজের প্রথম ম্যাচের মত দ্বিতীয় ম্যাচেও ছিল প্রা অভিন্ন অবস্থা। রান তাড়া করতে নেমে মাঝপথে পথ হারিয়ে বসেছিল টাইগাররা। তবে আগের ম্যাচের মগো এবারও ত্রাণকর্তা হিসেবে দলকে উদ্ধার করেন নুরুল হাসান সোহান। প্রথম ম্যাচে রিশাদ হোসেনকে পেয়েছিলেন সঙ্গী হিসেবে, আজ পেলেন শরিফুল ইসলামকে। আর তাতেই কাজটা হয়ে গেল। ২ উইকেটের রুদ্ধশ্বাস জয়ে আফগানিস্তানের বিপক্ষে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করে ফেলল কোচ ফিল সিমন্সের শিষ্যরা।
ম্যাচে আফগানিস্তান প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে তোলে ১৪৭ রান। ব্যাট হাতে জয় নিশ্চিত করা শরীফুল ম্যাচের প্রথম ভাগে বল হাতেও ছিলেন কার্যকর। প্রথম তিন ওভারে মাত্র ৯ রান দিয়ে আফগান ব্যাটারদের চাপে রাখেন তিনি। পরে ডেথ ওভারে ফিরে দুর্দান্ত ইয়র্কারে বোল্ড করেন রহমানউল্লাহ গুরবাজকে। ৩০ রান করা গুরবাজ ছিলেন আফগানিস্তানের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক।
বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণে নাসুম আহমেদ ও সাইফউদ্দিনও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। নাসুম ৪ ওভারে ২৫ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। সাইফউদ্দিন উইকেট পাননি, তবে তার ৪ ওভারে খরচ হয়েছে মাত্র ২২ রান। রিশাদ নিয়েছেন ২ উইকেট।
জবাবে রান তাড়ার শুরুটা সহজ ছিল না বাংলাদেশের। ২৪ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারায় দল। আগের ম্যাচে ফিফটি করা দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম আর পারভেজ হোসেন ইমন দুজনেই ফেরেন ২ রান করে। এরপর দারুণ এশিয়া কাপ কাটানো সাইফ হাসান আউট হন ১৮ রান করে।
তবে মাঝের ওভারে দলকে কক্ষপথে ফিরিয়ে আনেন শামীম হোসেন পাটোয়ারী ও জাকের আলী। জাকের আউট হওয়ার আগে করেন ২৫ বলে ৩২। শামীম খেলেন ২২ বলে ৩৩ রানের ইনিংস।
মাঝে অবশ্য ছোটখাট একটা ধস নামে। ৭ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট চলে যায় লোয়ার মিডল অর্ডারে। শেষদিকে ম্যাচের দায়িত্ব নেন নুরুল হাসান। তার ২১ বলে ৩১ রানের ইনিংসে ভর করে বাংলাদেশ জয়ের দোরগোড়ায় পৌঁছে যায়। সেখান থেকে শেষ কাজটা সেরে দেন শরীফুল।
এই জয়ে তিন ম্যাচ সিরিজে বাংলাদেশ এগিয়ে গেল ২-০ ব্যবধানে। ফলে শেষ ম্যাচ মাঠে গড়ানোর আগেই ট্রফি নিশ্চিত করল টাইগাররা।



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.