প্রথম দিনেই রেড জোনে সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ

0
99
medicine-packs
ওষুধের ব্লিস্টার প্যাক
medicine-packs
ওষুধের ব্লিস্টার প্যাক

লেনদেন শুরুর প্রথম দিনেই বিপদজনক অবস্থানে চলে গেছে সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) এ কোম্পানির শেয়ারের মূল্য-আয় অনুপাত বা পিই রেশিও ৬৪ দশমিক ৪৪ তে উঠেছে। খোদ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি ৪০ এর বেশী পিই রেশিওকে নিরাপদ মনে করে না। তাই এ ধরণের শেয়ারে মার্জিন ঋণ দেওয়া নিষিদ্ধ।

সোমবার দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জে একযোগে সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার লেনদেন শুরু হয়। অভিহিত মূল্য তথা ১০ টাকা দরে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আসা এ কোম্পানির প্রায় ৪০০ শতাংশ বেড়ে যায়।ডিএসইতে প্রথম লেনদেনটি হয় ৩৮ টাকা দরে। মাঝখানে তা কমে ৩৩ টাকায় নেমে আসে। কিন্তু তার পর থেকে ফের বাড়তে থাকে দাম।দিনের শেষ লেনদেনটি হয় ৫০ টাকা দরে।

সুহৃদের আয়ের নিরিখে তার শেয়ারের দামকে বেশ অস্বাভাবিক মনে করছেন বিশ্লেষকরা।উল্লেখ, সর্বশেষ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ-২০১৪) কোম্পানি শেয়ার প্রতি আয় করেছে ২৪ পয়সা। আইপিও পরবর্তী শেয়ার সংখ্যা বিবেচনায় নিলে এর পরিমাণ দাঁড়ায় ১৬ পয়সা। আর ৯ মাসে ইপিএস হয় ৫৬ পয়সা। এ হিসেবে এন্যুয়ালাইজড ইপিএস দাঁড়ায় ৭৯ পয়সা।

২০১৩ সালের নিরীক্ষা প্রতিবেদনে উল্লিখিত মুনাফা বিবেচনায় নিলে সোমবার দিন শেষে সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারের পিই রেশিও ৬৪ দশমিক ২৭। আর ২০১৪ সালের (জুলাই’১৩-জুন’১৪) প্রথম তিন প্রান্তিকের ইপিএস বিবেচনায় নিলে পিই রেশিও হয় ৬৪ দশমিক ৫৫।

প্রকৌশল খাতের সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ পলিপ্রোপাইলিন (Polypropylyne-PP) ও (Poly Vinyl Chloride-PVC) পণ্য উৎপাদন করে থাকে। এর প্রধান দুটি উৎপাদন লাইন হচ্ছে ওষুধ শিল্পের পিভিসি ফিল্ম ও খাদ্য প্যাকেটজাত করার পিপি/পিভিসি শিট উৎপাদন করে।ওষুধ কারখানায় পিভিসি ফিল্ম থেকে ট্যাবলেট ও ক্যাপসুলের স্ট্রিপ তৈরি করা হয়। অন্যদিকে পিপি শিট থেকে তৈরি করা হয় ওয়ানটাইম গ্লাস, প্লেট, চামচ, ওয়াটার কাপ, আইস কাপ, টিফিন বক্স ইত্যাদি।