জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর

0
60
pmhasina
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-ফাইল ছবি
pmhasina
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-ফাইল ছবি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘রূপকল্প-২০৪১’র ভিত্তিতে একটি উন্নত, সুশিক্ষিত ও বিজ্ঞানমনস্ক সমাজ গঠনের সোপান রচনায় বাংলাদেশের দৃঢ় প্রতিজ্ঞার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২০১৫-পরবর্তী টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আলোকে আমরা আমাদের রূপকল্প-২০৪১’র ভিত্তিতে একটি উন্নত, সুশিক্ষিত ও বিজ্ঞানমনস্ক সমাজ গঠনের সোপান রচনায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এই কর্মযজ্ঞে নারী ও মেয়ে শিশুরা সব সময়ই আমাদের বিবেচনার অগ্রভাগে থাকবে।’

তিনি আজ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস-২০১৪ উপলক্ষ্যে আয়োজিত নারী ও কন্যাশিশুদের সাক্ষরতা ও শিক্ষা : টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধনকালে বাংলাদেশের এ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

জাতিসংঘ মহাসচিবের গ্লোবাল এডুকেশন ফার্স্ট ইনিসিয়েটিভ (জিইএফআই)-এর সহায়তায় বাংলাদেশ সরকার ও ইউনেস্কো এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, ইউনেস্কোর মহাপরিচালক ইরিনা বোকোভা, কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত লী ইয়াং-ইয়ং ও চীনের চার্জ দ্যা এ্যাফেয়ার্স কিউ ইউ গাংঝু অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। এতে স্বাগত বক্তৃতা করেন গণশিক্ষা মন্ত্রী এ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান।

মন্ত্রীবর্গ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, কূটনীতিক, শিক্ষাবিদ, বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অটিজম বিশেষজ্ঞ ও প্রধানমন্ত্র্রীর কন্যা সায়মা হোসেন পুতুল।

শেখ হাসিনা মেয়ে শিশুদের শিক্ষা ও তাদের আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনের পথের বাধাগুলো অপসারণে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে বাংলাদেশের পাশে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আমি মনে করি, উপযুক্ত শিক্ষাই একটি মেয়েকে সামাজিক, মানসিক ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি যে কোন ধরণের অন্যায় ও বৈষম্যমূলক আচরণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর সাহস জোগাতে পারে।’

এ লক্ষ্যে তিনি নারী শিক্ষা ও স্বাক্ষরতাকে ২০১৫-পরবর্তী উন্নয়ন প্রস্তাবনায় টেকসই উন্নয়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে চিহ্নিত করে এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার উপর গুরুত্বারোপ করেন।

সূত্র: বাসস