প্রধানমন্ত্রীর কাছে ডেসটিনির লাইসেন্স চান বিনিয়োগকারীরা

0
138
সোমবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডের বিনিয়োগকারীরা সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে
সোমবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডের বিনিয়োগকারীরা সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে
সোমবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডের বিনিয়োগকারীরা সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডের লাইসেন্স ফেরত দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির বিনিয়োগকারীরা। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির সব সম্পত্তি অবমুক্ত করে সরকারি ছাড়পত্র দিয়ে তাদের আর্থিক দৈন্য থেকে রক্ষা করার দাবিও জানায় তারা।

সোমবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বিনিয়োগকারী শারমিন আক্তার স্বর্ণা জানান, ‘ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডে এখন পর্যন্ত ৪৫ লাখ ডিস্ট্রিবিউটর রয়েছে। যাদের বিনিয়োগ প্রায় ২০০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ১ হাজার ৩৮২ কোটি টাকা রয়েছে শেয়ারহোল্ডারদের। কোম্পানিটির মোট অর্থের ৯০ শতাংশের মালিক সাড়ে ৮ লাখ শেয়ারহোল্ডার।’

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, গ্রাহকদের অর্থ ও পরিশ্রমে গড়া ডেসটিনি গ্রুপের প্রতিষ্ঠান দুইটির নামে দুর্নীতি ও অর্থপাচার মামলা দায়ের করে রিসিভার নিয়োগ দিয়ে সব কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে ৪৫ লাখ ডিস্ট্রিবিউটরের পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। আবার প্রতিষ্ঠানটির সব সম্পদ ধ্বংস ও লুট হয়ে যাচ্ছে।

বিনিয়োগকারীরা জানতে চান, কেন ৪৫ লাখ শ্রমিকের পথে বসিয়ে কাল-ক্ষেপন ও মামলার জটিলতায় ডেসটিনির সব কর্মকাণ্ড বন্ধ করে দিয়ে ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে কোনো ট্যাক্স ফাকির অভিযোগ নেই, কোনো ব্যাংক ঋণ গ্রহণ করা হয়নি কিংবা কোনো অর্থ আত্মসাতের ঘটনা ঘটেনি। তবে কি কারণে অর্থ আত্মসাতের মামলা হলো।

সংগঠনটির মহাসচিব রাজিব মিত্র সাংবাদিকদের জানান, প্রতিষ্ঠানটির সিংহভাগ বিনিয়োগ বিনিয়োগকারীদের। যদি কোনো ভুল-ভ্রান্তি থেকে থাকে তবে তার বিচার করা হোক। তবে ৪৫ লাখ গ্রাহককে ক্ষতি করে নয়।

তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটির লাইসেন্স ফিরে পেতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করেছি। বাংলাদেশ সরকারের এমএলএম নীতিমালা অনুযায়ী ডেসটিনি এখন লাইসেন্স পেতেই পারে। আমাদের লাইসেন্স দিয়ে কার্যক্রম চালু করার সুযোগ দেওয়া হোক।

রাজিব মিত্র অভিযোগ করে বলেন, আমাদের কষ্টের টাকাতে গড়া প্রতিষ্ঠানটির সম্পদ লুট করে নিচ্ছে অন্যরা। আমাদের সম্পত্তিতে কোথাও মাছ চাষ; কোথাও মাদকের ব্যবসা চলছে।  ৮১ লাখ টাকা ব্যয়ে লাগানো গাছ কেটে নিচ্ছে দুর্বৃত্তরা।

প্রসঙ্গত, এমএলএম কোম্পানি ‘ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেড’ ২০০০ সালে রেজিস্ট্রেশন নিয়ে যাত্রা শুরু করে ২০০১ সালে। অর্থ-আত্মসাতের মামলায় প্রতিষ্ঠানটির লাইসেন্স বাতিল করা হয়।

এসইউএম/এসএম