লক্ষ্যমাত্রা থেকে ১৭% পিছিয়ে রপ্তানি আয়

0
88
Export_Item
তৈরি পোশাক, চিংড়ি ও চামড়া- ফাইল ফটো
Export_Item
দেশের প্রধান চারটি রপ্তানি পণ্য

মন্দা ভর করেছে রপ্তানি আয়ে। লক্ষ্যমাত্রা ছুঁতে পারছে না এই খাত। চলতি অর্থবছরে (২০১৪-১৫) পর পর দ্বিতীয় মাসের মতো রপ্তানি আয় লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। তবে জুলাই মাসে রপ্তানি আয় আগের বছরের চেয়ে কমে গেলেও আগস্টে তা সামান্য বেড়েছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আগস্ট মাসে রপ্তানি আয়ের কৌশলগত লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৬১ কোটি ৬১ লাখ ডলার। এর বিপরীতে আয় হয়েছে ২১৫ কোটি ৯৫ লাখ ডলার।লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আয় কম হয়েছে ১৭.৪৬% বা ৪৫ কোটি ৬৬ লাখ ডলার। অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে রপ্তানি আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২.০৩% পিছিয়ে ছিল।

তবে আগের মাসে ব্যর্থ হলেও আগস্টে আয় আগের বছরের একই সময়ের আয়কে ছাড়িয়েছে। গত বছর আগস্ট মাসে আয় হয়েছিল ২০১ কোটি ৩৪ লাখ ডলার। ওই মাসের তুলনায় এবার ৭.২৩% আয় বেশি হয়েছে।

আগস্ট মাসে হিমায়িত খাদ্য, কৃষি পণ্য, লেদার পণ্য, পাট, পোশাকসহ বড় খাতগুলোর কোনোটিতেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। গত বছরের এই সময়ের চেয়ে পোশাক শিল্পের দুইখাতেই রপ্তানি কমেছে।

গত অর্থবছরের আগস্ট মাসে পোশাক শিল্পে নীট খাতে রপ্তানি ছিল ২১০ কোটি ১৯ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার। আর চলতি অর্থবছরে এই সময়ে হয়েছে ২২০ কোটি ৬৩ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। একই সময়ে ওভেন খাতে ছিল ২০৫ কোটি ৮৪ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার। আর চলতি বছরে এসে তা ১.৬০% অর্থাৎ রপ্তানি হয়েছে ২০২ কোটি ৫৪ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলারে।

এদিকে পাট রপ্তানিতে ধারাবাহিকভাবে রপ্তানি কমেই যাচ্ছে। এবারও পাট রপ্তানি কমেছে ১১. ২৭%। রপ্তানি হয়েছে ১১ কোটি ৫৯ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। যা গত অর্থবছরে রপ্তানি হয়েছিল ১৩ কোটি ৬ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার।

তবে ক্যামিকেল ও প্লাস্টিকখাতে রপ্তানি বেড়েছে। খাত দুইটিতে গত বছরের এই সময়ের তুলনায় রপ্তানি বেশি হয়েছে। প্লাস্টিক খাতে রপ্তানি হয়েছে ১ কোটি ৭১ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার। যা গত অর্থবছরের এই সময়ে চেয়ে ৩৫ দশমিক ৮১ শতাংশ বেশি। আবার কেমিক্যাল খাতে রপ্তানি হয়েছে ১ কোটি ৬৬ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার। যা গত অর্থবছরের এই সময়ের তুলনায় ৩১ দশমিক ১৩ শতাংশ বেশি।