স্মার্টফোনে দরকারি ৭ ভিডিও চ্যাট অ্যাপ

0
84
Smartphone
স্মার্টফোন।

বাড়ছে স্মার্টফোনের ব্যবহার। ১৫ বছরের তরুণ-তরুণী কিংবা ৮০ বছরের বৃদ্ধ; স্মার্টফোনই যেন সবার স্মার্টনেসকে প্রকাশ করে। আর স্মার্টফোনের ব্যবহার মানে শুধুই ফোন কল বা এসএমএস’র ব্যবহার নয়। এতে থাকে আরও অনেক অ্যাপ।

তবে সবগুলো কোম্পানির স্মার্টফোনে একই ধরনের অ্যাপ পাওয়া যায় না। কোম্পানি ভেদে অ্যাপগুলোতে পার্থক্য দেখা যায়। বিভিন্ন স্মার্টফোনে বিভিন্ন রকম অ্যাপ রয়েছে। সময়ের চাহিদা অনুযায়ী বর্তমানে স্মার্টফোনে কয়েকটি অ্যাপ অবশ্যই থাকা উচিত। যে অ্যাপগুলো স্মার্টফোনটিকে আরও স্মার্টভাবে উপস্থাপন করবে …

 

Skype
স্কাইপে।

স্কাইপ:

স্কাইপ পৃথিবীর পুরানো ভিডিও অ্যাপগুলোর মধ্যে অন্যতম। সম্ভবত সবচেয়ে পরিচিত ভিডিও অ্যাপ এটি। বর্তমানে স্কাইপের ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২৯৯ মিলিয়ন। শুধু ভিডিও চ্যাট নয়; স্কাইপ ব্যবহারে ভয়েস চ্যাট এবং এসএমএসও পাঠানো সম্ভব।

ক্যামফ্রগ:

অপরিচিত বা নতুন কারো সঙ্গে চ্যাট করতে ক্যামফ্রগ আদর্শ একটি অ্যাপ। বন্ধু-বান্ধব ও পরিবারের সদস্য ছাড়াও চ্যাট রুমে নতুনদের সঙ্গে গল্পের সুযোগ আছে এতে। অ্যান্ড্রয়েড, উইন্ডোজ এবং আইওএস- সব অপারেটিং সিস্টেমে এটি ব্যবহার করা যায়।

হ্যাংআউটস:

গুগল ব্যবহারকারীর অনেকেই হ্যাংআউটস অ্যাপ ব্যবহার করেন। এতে একত্রে সর্বোচ্চ ১০ জন চ্যাট করতে পারেন। এতে ছবিও শেয়ার করা যায়।

Viber
ভাইবার।

ভাইবার:

একই চ্যাট বক্সে ৪০ জনের সঙ্গে চ্যাট করার সুযোগ দেয় ভাইবার। যে কোনো ফাইল শেয়ার করা যায় এই অ্যাপটির সাহায্যে। সব ধরণের চ্যাটের জন্য এটি সময় উপযোগী একটি অ্যাপ।

ট্যাঙ্গো:

শুধুমাত্র নাম ও মোবাইল নম্বর দিয়ে ট্যাঙ্গো অ্যাপটি ব্যবহার করা যায়। এতে কোনো পাসওয়ার্ড প্রয়োজন হয় না। এটি ব্যবহার করাও খুব সহজ। তবে ব্যবসায়িক কাজে এর ব্যবহার করা উচিত নয়।

উভু:

ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেই ভিডিও চ্যাপ অ্যাপ উভু-তে লগ-ইন করা সম্ভব। অ্যাপটিতে সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো- ফেসবুক বন্ধুদের এবং স্মার্টফোনের কন্টাক্ট লিস্টের মধ্যে সমন্বয় করে এটি। এক চ্যাট বক্সে সর্বোচ্চ ১২ জনের সঙ্গে চ্যাট করা যায়। এর ব্যবহারে বাড়তি কোনো খরচ নেই।

পিয়ার:

ব্যবসায়িক চ্যাটের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত অ্যাপ পিয়ার। প্রফেশনালদের নেটওয়ার্ক লিঙ্কডইনের সঙ্গে সহজেই যুক্ত করা যায় এটি।

এমই/