‘এমডিজি: প্রাথমিক শিক্ষায় ৯৭.৩% সফল বাংলাদেশ’

0
95
প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনি (পিএসসি)
প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনি (পিএসসি)জাতিসংঘের সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য (এমডিজি) অর্জনে বাংলাদেশ সার্বজনীন শিক্ষার ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের অংশগ্রহণ শতভাগ অর্জিত হলেও পিছিয়ে চাকরিসহ অন্যান্য খাতে। তবে প্রাথমিক শিক্ষায় প্রবেশের ক্ষেত্রে সংস্থাটির শতভাগ লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে বাংলাদেশ ৯৭ দশমিক ৩ শতাংশ সফলতা অর্জন করেছে।

রোববার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের পরিকল্পনা কমিশনের সম্মেলন কক্ষে ‘মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল: বাংলাদেশের অগ্রগতি রিপোর্ট ২০১৩’ প্রকাশ অনুষ্ঠানে এ কথা জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে মূল প্রতিবেদন পাঠ করেন পরিকল্পনা কমিশনের অর্থনৈতিক বিভাগের সদস্য মো. শামছুল আলম।এ সময় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, পরিকল্পনামন্ত্রী আফম মোস্তফা কামাল, অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এম মান্নান, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব শহিদুল হকসহ অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, জাতিসংঘের সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জন্য ভর্তি বা প্রবেশের ক্ষেত্রে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ৯৭ দশমিক ৩ শতাংশ সফলতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে বালক ৯৬ দশমিক ২ শতাংশ ও বালিকা ৯৮ দশমিক ২ শতাংশ। প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করছে ৮০ শতাংশ বালক-বালিকা। আর নারী-পুরুষের সমতা অর্জনের ক্ষেত্রে এক বছর আগেই শতভাগ সফলতা অর্জিত হয়েছে।

মাধ্যমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের সমতায় শতভাগের বেশি সফলতা বাংলাদেশের। মাধ্যমিক শিক্ষায় ছেলেদের তুলনায় ১৪ শতাংশ এগিয়ে নারীরা। তবে উচ্চশিক্ষা, চাকরি ও সংসদে প্রতিনিধিত্ব করার ক্ষেত্রে জাতিসংঘের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক পিছিয়ে বাংলাদেশ।

উচ্চশিক্ষায় নারী-পুরুষের সমতায় ২০১৫ সালের মধ্যে শতভাগ লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ৭৩ শতাংশ অর্জন করতে পেরেছে বাংলাদেশ। কৃষিখাত ছাড়া অন্যান্য কাজ ও চাকরির ক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ ৫০ শতাংশের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ২০১৩ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের অর্জন ২০ শতাংশ।

অন্যদিকে জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করার ক্ষেত্রে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য ২০১৫ এর তুলনায় অনেক পিছিয়ে বাংলাদেশ। এ ক্ষেত্রে ৩৩ শতাংশের বিপরীতে বাংলাদেশের অর্জন ২০ শতাংশ।