বাচ্চার যে ১০ খবর রাখা উচিত

0
190
mom_questions
মায়ের কাছে জানতে চাচ্ছে শিশুটি- ফাইল ছবি
mom_questions
মায়ের কাছে জানতে চাচ্ছে শিশুটি- ফাইল ছবি

শিশুর মনোজগত তখনই বিকশিত হয় যখন তারা বেড়ে উঠতে শুরু করে। এ সময় তাদের জ্ঞানের পরিধিও বাড়তে থাকে। শিশুরা ক্রমশ: আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে শেখে, মানুষের সাথে কথা বলা, মেলামেশা ও কাজ-কর্মে দক্ষতা অর্জন করে ধাপে ধাপে। আর তাদের চিন্তাচেতনায় এ অগ্রগতিই হলো শিশুর সামগ্রিক বিকাশ।

কাজেই এ সময় প্রত্যেক মাকেই শিশুদের প্রতি অধিক খেয়াল রাখার পরামর্শ দিয়েছেন ম্যানসি জেভারি। যিনি অনেক দিন ধরেই বাচ্চাদের আবেগকে অনুসরণ করে একজন উদ্যোক্তা মায়ের ভূমিকা পালন করে আসছেন।

তিনি বলেন, এ সময় শিশুরা সব বিষয়ে জানতে চায় ও শেখার আগ্রহ অনুভব করে। তাই মায়েদের দায়িত্বই হল প্রতিনিয়ত তাদের ১০ বিষয়ের খবর রাখা।

ম্যানসি বলেন, প্রতিটি মা স্কুলে তার সন্তান কিভাবে সময় ব্যয় করে তা জানার জন্য সবসময়ই উদগ্রীব থাকে। এমনকি তার সন্তান পরিবারের অন্য সদস্যদের সাথে কিভাবে যোগাযোগ করে তাও তারা জানতে চান।

তাই আইডিভা ডট কমে ১০ বিষয়ে শিশুদের খবরাখবর রাখার ব্যাপারে প্রত্যেক মাকেই পরামর্শ দিয়েছেন ম্যানসি। এগুলো হলো-

এক. স্কুলের বিষয়কে বাচ্চারা সাধারণত বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকে। এক্ষেত্রে তারা সবসময় স্কুলের ৩ জন ভালো বন্ধুর কথা বলে থাকে। এমনকি অপছন্দের ৩টি জিনিসের কথাও বলতে ভোলেন না তারা। তাই এ সময় মায়েদের কাজ হলো স্কুল থেকে আসার পর বাচ্চাদের এসব বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা।

দুই. বাসে ভ্রমণের সময় খারাপ লাগছে কিনা তা জিজ্ঞাসা করা।

তিন. স্কুলে সে আজ কি কি ব্যায়াম করেছে?

চার. সে কোন ৩টি ভালো কাজের পাশাপাশি কোন ৩টি খারাপ কাজ করেছে।

পাঁচ. গতকালের চেয়ে আজ সে ভালো কোন কাজটি করেছে?

ছয়. স্কুলে কে তাকে আনন্দ দিয়েছে? কার আচরণে সে অনেক কষ্ট পেয়েছে?

সাত. তার বন্ধুরা আজ কে কী নাস্তা করেছে?

আট. সে আজ স্কুলে নতুন কি শিখেছে। এটা হতে পারে- একটি শব্দ, একটা গল্প, তার বন্ধু ও নিজের সম্পর্কে।

নয়. ভালো কোনো কাজ করায় সে আনন্দিত কি না?

দশ. বাবা ও মায়ের কোন কাজটি তার ভালো লাগেনি।

আপনার এই জিজ্ঞাসাগুলোই পরবর্তীতে শিশুদের শেখার আগ্রহকে শুধু বাড়িয়ে দিবে না, বরং তাদের আরও বেশি উৎসাহী করে তুলবে।

এএসএ/