নতুন পদ্ধতিতে যেভাবে আবেদন করতে হবে

0
119
ipo
আইপিও
ipo
আইপিও

হামিদ ফেব্রিকসের প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে শুরু হচ্ছে আবেদনের নতুন পদ্ধতির পাইলট প্রকল্প। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর আবেদন জমা দেওয়া শুরু হবে। প্রচলিত পদ্ধতিতে ব্যাংকে আবেদন ও টাকা জমা দেওয়ার পাশাপাশি নির্ধারিত ব্রোকারহাউজ ও মার্চেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমেও তা জমা দেওয়া যাবে।

নতুন পদ্ধতিটিকে সাধারণের কাছে পরিচিত করানোর জন্য যে ধরণের প্রচার-প্রচারণা প্রয়োজন ছিল নিয়ন্ত্রক সংস্থা সেটি করেনি। ফলে এ নিয়ে আগ্রহ ও উদ্বেগের শেষ নেই বিনিয়োগকারীদের। বিশেষ করে এ পদ্ধতিতে কিভাবে আবেদন করতে হবে, কিভাবে লটারির ফল জানা যাবে-সে বিষয়ে এখনও অনেক বিনিয়োগকারীর মধ্যে রয়েছে বেশ অস্পষ্টতা।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সংশ্লিষ্ট বিভাগ বলছে, নতুন পদ্ধতি বিদ্যমান পদ্ধতির মতোই। এতে বাড়তি কোনো জটিলতা নেই। তাছাড়া বিনিয়োগকারীরা চাইলে ব্যাংকের মাধ্যমেও আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেন।

নতুন পদ্ধতিতেও একটি আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারীকে। সে আবেদনপত্রে থাকবে আবেদনকারীর নাম, বিও নাম্বার, ক্লায়েন্ট কোড, কতগুলো শেয়ারের জন্য আবেদন করা হচ্ছে তার সংখ্যা, টাকার পরিমাণ এবং ক্যাটাগরি।

মুদ্রিত আবেদনপত্রের পাশাপাশি ইলেকট্রনিক আবেদনপত্রেও আবেদন করা যাবে।

সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্রোকারহাউজ বা মার্চেন্ট ব্যাংক গ্রাহকের হয়ে আবেদনপত্র পূরণ করবে। বিনিয়োগকারী ই-মেইলে বা মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে এ বিষয়ে তার ডিপি (ডিপোজিটরি পার্টিসিপেন্ট) তথা ব্রোকারহাউজ ও মার্চেন্ট ব্যাংককে নির্দেশনা দিতে পারবেন।

আবেদনকারীকে অবশ্যই শেয়ারের প্রস্তাবিত মূল্য অনুসারে প্রয়োজনীয় অর্থ নিশ্চিত করতে। বিনিয়োগকারীর হিসাবে সমপরিমাণ অর্থ থাকলেই কেবল সংশ্লিষ্ট মার্চেন্ট ব্যাংক বা ব্রোকারহাউজ আবেদন বা গ্রাহকের নির্দেশনা গ্রহণ করবেন। আইপিওতে আবেদন করার জন্য গ্রাহককে কোনো মার্জিন ঋণ সুবিধা দিতে পারবে না সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান।

আবেদনের সময় থেকে লটারি অনুষ্ঠান পর্যন্ত বিনিয়োগকারীর হিসাবে প্রযোজ্য পরিমাণ অর্থের উপর লকইন থাকবে। ওই অর্থ তিনি (আবেদনকারী) উত্তোলন করতে পারবেন না।তা দিয়ে অন্য কোনো শেয়ার কেনা যাবে না। ওই অর্থ অন্য কোনো হিসাবে স্থানান্তরও করা যাবে না।

লটারিতে অকৃতকার্য হলে ডিপি লকইন তুলে নেবে। সে ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারী চাইলে তার অর্থ উঠিয়ে নিতে পারবেন। অথবা নতুন কোনো আইপিওর আবেদনের জন্য রেখে দিতে পারবেন। সেকেন্ডারি বাজার থেকে শেয়ার কেনার জন্যও তা ব্যবহার করতে পারবেন তিনি।

লটারির অনুষ্ঠানের ২ দিনের মধ্যে ইস্যুয়ার ডিপির কাছে কৃতকার্য আবেদনকারীদের তালিকা পাঠাবেন। বিনিয়োগকারী চাইলে ডিপির কাছ থেকে তার ফল জেনে নিতে পারবেন। এ ছাড়া বিও নাম্বারের মাধ্যমেও ফলাফল খোঁজা যাবে।