নারয়ণগঞ্জ ৭ খুন: আটক র‌্যাবের ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

0
48
narayangong
ছবি সংগৃহীত

নারায়ণগঞ্জ ৭ খুনের ঘটনায় আটক র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) সদস্য পূর্ণেন্দু বালাকে ৮ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত। ৭ খুনের ঘটনায় করা দুটি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দেওয়া হয়।

শনিবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জের বিচারিক হাকিম সাইদুজ্জামান শরীফের আদালতে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানান মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ মণ্ডল। শুনানি শেষে আদালত তাকে ৮ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দেন।

এর আগে সকালে র‌্যাবের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো মোবাইল ফোনের খুদে বার্তায় জানানো হয়, গতকাল শুক্রবার দুপুরে narayangongঢাকা থেকে পূর্ণেন্দু বালাকে আটক করা হয়। তিনি র‌্যাবের উপপরিদর্শক (এসআই) হিসেবে কর্মরত।

এর আগে নারায়ণগঞ্জে ৭ জনকে খুন ও লাশ গুমের ঘটনায় করা পৃথক দুটি মামলায় র‌্যাব-১১-এর ৮ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন।

প্রথম দফায় গ্রেপ্তার হন র‌্যাব-১১-এর সাবেক অধিনায়ক লে. কর্নেল তারেক সাঈদ মোহাম্মাদ, মেজর আরিফ হোসেন ও লে. কমান্ডার এম এম রানা। এ ৩ জনই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিজেদের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

গত ২৬ আগস্ট গভীর রাতে র‌্যাবের আরও ৫ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন হাবিলদার মো. এমদাদুল হক, ল্যান্স নায়েক মো. বেলাল হোসেন ও হিরা মিয়া এবং সেপাই আবু তৈয়ব আলী ও মো. আরিফ হোসেন। এদের মধ্যে এমদাদ ও আবু তৈয়ব বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি), আরিফ নৌবাহিনীর এবং ল্যান্স নায়েক মো. বেলাল হোসেন ও হিরা মিয়া আনসার বাহিনীর সদস্য। সাত খুনের ঘটনার পর আবু তৈয়ব ও হিরা মিয়াকে নিজ নিজ বাহিনীতে ফেরত পাঠানো হয়েছিল। অন্য তিনজন র‌্যাবে কর্মরত ছিলেন।

র‌্যাবের এই ৫ সদস্য আদালতে দাবি করেছেন, ৭ জনকে অপহরণের পর হত্যা ও লাশ গুম করতে র‌্যাব-১১-এর শীর্ষ ৩ কর্মকর্তা তাদের বাধ্য করেছিলেন। তারা ঘটনার বর্ণনা করতে গিয়ে আদালতে কেঁদে ফেলেন।

পরে ৭ খুনের ঘটনায় করা পৃথক দুটি মামলায় এই ৫ জনের ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

মামলার তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, ৭ খুনের ঘটনায় জড়িত বা ঘটনাস্থলে উপস্থিত র‌্যাবের ২৩ সদস্যকে প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ২৬ আগস্ট গ্রেপ্তার হওয়া পাঁচজনও সন্দেহভাজনদের প্রাথমিক তালিকায় ছিলেন। কর্মকর্তারা জানান, ২৩ সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। এদের ১৮ জনকে আসামি করা হতে পারে। বাকিরা এ মামলার সাক্ষী হতে পারেন।

সাকি/