বাংলাদেশ ক্রিকেট খারাপ সময় পার করছে: মুস্তফা কামাল

0
67
পরিকল্পনা মন্ত্রী আ.হ.ম. মুস্তফা কামাল। ফাইল ছবি
MUstafa-Kamal
পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল (ফাইল ছবি)

বাংলাদেশ ক্রিকেট এখন খারাপ সময় পার করছে বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তবে এটা সাময়িক; শিগগিরই এই অবস্থার উন্নতি হবে বলেও মনে করেন তিনি।

শনিবার দুপুরে রাজধানীর বারডেম মিলনায়নে জাতীয় অধ্যাপক মোহাম্মদ ইব্রাহিম ২৫তম মৃত্যু বার্ষিকী ও সেবা দিবসের এক আলোচনা সভায় তিনি এই বলেন। বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে।

অধ্যাপক এ কে আজাদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, মিসেস সাবেরা সাইদ, এসএ মুনসুর সাকিল, ডা. সাঈদ হায়দার প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, আমার জীবনে আমি আইসিসি’র সভাপতি হতে পেরেছি এটা বড় পাওয়া। বাংলাদেশের ক্রিকেট এখন খারাপ সময় পার করছে। তবে শিগগিরই এই অবস্থার উন্নতি হবে।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড থেকে চলে আসার পর থেকে এই ক্রান্তিকালের যাত্রা শুরু বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মন্ত্রী ডায়াবেটিক নিয়ে বলেন, এই রোগটির জন্য সব পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। প্রতিটি গ্রাম থেকে রোগীদের খুঁজে খুঁজে বের করতে হবে। অনেক মানুষই জানেন না যে তারা ডায়াবেটিকে আক্রান্ত। সারা দেশে আসলে কত জন রোগী এই রোগে আক্রান্ত তা চিন্হিত করাই ডায়াবেটিক সমিতির প্রধান কাজ।

তিনি বলেন, ডায়াবেটিকের জন্য ইনস্টিটিউট, কলেজ ও নার্সিং হোম প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন রয়েছে। সারা দেশের কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে এই সেবার প্রসারতা বাড়ানো যায় বলেও মনে করেন তিনি।

ডায়াবেটিকের জন্য কোনো প্রতিষ্ঠান কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয় তাতে সরকার সব ধরণের অর্থায়ন করবে বলে জানান মন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন বলেন, ১৯৫৬ সালে প্রতিষ্ঠিত সমিতি বিশ্বের মধ্যে ডায়াবেটিক সেবায় সুনাম অর্জন করেছে। নানামুখী সেবার মাধ্যমে দেশের সকল প্রান্তে সেবা দিতে সক্ষম হয়েছে।

১৮ বছরের নিচের রোগীদেরকে বিনামূল্যে ইনস্যুলিন সরবরাহ করা হচ্ছে। দেশের ৪০ হাজার ডাক্তারকে ডায়াবেটিক প্রশিক্ষণের আওতায় আনার চেষ্টা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৮ হাজার ডাক্তারকে এই প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। এখন ৬২৫ জন ডাক্তারকে নিয়ে একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালা চলছে। প্রতিবছর ১১০০ ডাক্তারকে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সারা দেশে প্রায় ৮৪ লাখ ডায়াবেটিক রোগী রয়েছে। যার মধ্যে ২৫ লাখ রোগীকে সমিতির নেটওয়ার্কের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। বারডেম হাসপাতালের সঙ্গে রেজিষ্ট্রেশন করেছে প্রায় ৫ লাখ রোগী। সারা দেশের ডায়াবেটিক রোগীদের মধ্যে প্রায় ৩০ শতাংশ রেজিষ্ট্রেশনের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। এখনও সারা দেশে প্রায় ৭০ শতাংশ রোগীকে রেজিষ্ট্রেশনের আওতায় আনা সম্ভব হয়েনি। তবে তারা কোনো না কোনোভাবে সেবা নিচ্ছেন বলে মনে করেন তিনি।