খালেদার সাক্ষ্যগ্রহণ ১০ সেপ্টেম্বর

জিয়া ট্রাস্টের অর্থ আত্মসাৎ মামলা

0
67
khaleda zia
বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া: ফাইল ছবি

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের অর্থ আত্মসাতের ২টি মামলায় আদালতে হাজিরা দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। মামলা ২টির সাক্ষ্যগ্রহণ স্থগিত করে শুনানির জন্য সময় বাড়ানোর আবেদন করেন তার আইনজীবীরা। এর প্রেক্ষিতে আপিল আবেদনের রিট নিষ্পত্তির  জন্য আগামী ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সাক্ষ্যগ্রহণ স্থগিত করেছেন আদালত।

Khaleda Zia
বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া

বুধবার দুপুর টার দিকে বকশীবাজারের অস্থায়ী আদালতে হাজিরা দেন তিনি। মাত্র ২০ মিনিটের শুনানি শেষে আদালত প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন খালেদা জিয়া।

এই অস্থায়ী আদালতে বিচারকের দায়িত্বে রয়েছেন ঢাকার ৩ নম্বর বিশেষ জজ বাসুদেব রায়।

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতিরি সম্পাদক ও বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, আইনের প্রতি সম্মান রেখে আাদলতে এসেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও চ্যারিটেবল ট্রাস্টের অর্থ আত্মসাতের মামলায় হাজিরা দিতে বুধবার দুপুর ২টার দিকে ওই আদালতে পৌঁছান খালেদা জিয়া। তিনি আদালতে প্রবেশের পর বকশীবাজার আলিয়া মাদ্রাসার সামনে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ সময় বিএনপি নেতাকর্মীরা আদালতে প্রবেশ করতে চাইলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। পুলিশকে দিকে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে বিএনপি নেতাকর্মীরা। ২ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোঁড়ে পুলিশ।

আদালতের বাইরে প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষ আর ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলে। এসময় পুলিশের ৫ সদস্যসহ ৭ জন আহত হয়েছেন।

আদালতের সামনে ও এর আশপাশের এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা নানা ধরনের শ্লোগান দিচ্ছেন।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে পুলিশ।

এর আগে বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে গাড়িবহর নিয়ে গুলশান থেকে আদালতের  উদ্দেশ্যে রওনা হন তিনি।

এদিকে সাক্ষ্যগ্রহণের দিন থাকায় সাক্ষ্য দিতে আদালতে উপস্থিত হয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপ-পরিচালক হারুনুর রশিদ খান ও মো. মোহাম্মদ ইবরাহিম।

গত ২৭ জুলাই আসামিপক্ষের সময়ের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালতের বিচারক বাসুদেব রায় সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে ৩ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন। একইসঙ্গে খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির হতে মৌখিক নির্দেশ দেন আদালত।

দুদকের দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় গত ১৯ মার্চ খালেদা জিয়া, তার বড় ছেলে ও দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ অপর ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

এ মামলায় অভিযোগ গঠনকারী বিচারক নিয়োগের বৈধতা এবং অভিযোগ গঠনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করা হয়। তবে উভয় আবেদনই হাইকোর্টে খারিজ হয়ে যায়।

পরে আপিল বিভাগে এ বিষয়ে ৪টি আবেদন করেন খালেদা জিয়া।

এমই/