ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংঘর্ষে আহত শতাধিক, আটক-১২

0
40
b. baria
ফাইল মানচিত্র
b. baria
ফাইল মানচিত্র

পূর্ব বিরোধের জের ধরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার দূর্গাপুর গ্রামে সংঘর্ষে নারী-পুরুষসহ উভয়পক্ষের শতাধিক লোক আহত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।

আহতদের স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিক ও জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে গুরত্বর  আহত ২০ জনের অবস্থা আশংকাজনক। সংঘর্ষ চলাকালে দাঙ্গাবাজরা উভয় পক্ষের প্রায় ৫টি বাড়িতে অগ্নিসংযোগসহ ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটিয়েছে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ১৭০ রাউন্ডরাবার বুলেট ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এঘটনায় পুলিশ ১২জনকে আটক করেছে।
পুলিশ ও প্রত্যাক্ষাদর্শী সূএে জানাযায়, ডাকাতি মামলার আসামী উপজেলার তাজপুর গ্রামের ফারুক মিয়াকে জামিনে ছাড়িয়ে আনা নিয়ে গত ২৫ আগষ্ট দূর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে ৫ নং ওয়াডের ইউপি সদস্য কামাল হোসেন ও ৩ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সিজানুর রহমানের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। এর জের ধরে কামাল হোসেনের পক্ষ দূর্গাপুর গ্রামের হাজী বাড়ির লোকজন ও তাজপুর গ্রামের সিজানুর রহমানের পক্ষ ইমাম বাড়ির লোকজনের মধ্যে গত ২৫ আগষ্ট থেকে দফায় দফায় সংঘর্ষে চলছে।
আজ মঙ্গলবার সকালে আবারো উভয় পক্ষের সহস্রাধিক লোক দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে ৪টি ভাগে বিভক্ত হয়ে এক ভয়াবহ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় ৩ ঘন্টা ব্যাপী সংঘর্ষে দূর্গাপুর গ্রাম রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এতে উভয় পক্ষের শতাধিক লোক আহত হয়েছে। গুরত্বর আহত ২০জনকে জেলা সদর হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।এ সময় দাঙ্গাবাজরা ৫টি বাড়ীতে অগ্নিসংযোগ,ভাংচূর ও লুটপাট করে।
খবর পেয়ে আশুগঞ্জ থানা ও অতিরিক্ত দাঙ্গা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে ১৬০ রাউন্ডরাবার বুলেট ও ১০ রাউন্ড টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে দুপুর ১টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রার্প্ত কর্মকর্তা মোঃ মহিউদ্দিন জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। পরবর্তী সংঘর্ষ এড়াতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এঘটনায় পুলিশ ১২ জনকে আটক করেছে। বর্তমানে এলাকায় থমথমে ভাব বিরাজ করছে।