বিথার হত্যা মামলায় ৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

0
33
bithar
বিথার-ফাইল ছবি
bithar
বিথার-ফাইল ছবি

খুলনা সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর ও যুবলীগের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি শহীদ ইকবাল বিথার হত্যা মামলার সম্পূরক চার্জশিট আদালত গ্রহণ করেছেন।

সোমবার আদেশের নির্ধারিত দিনে খুলনার মুখ্য মহানগর হাকিম শেখ আবদুল আহাদ এই চার্জশিট গ্রহণ করেন।

চার্জশিট থেকে খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান মিজান এবং যুবলীগের কেন্দ্রীয় সমবায় বিষয়ক সম্পাদক এস এম মেজবাহ হোসেন বুরুজকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।

এছাড়া পলাতক আসামি মহানগর যুবলীগের আহবায়ক আনিসুর রহমান পপলুসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। অপর ২ আসামি হলেন লিয়াকত আলী শিকদার এবং মোঃ মনিরুজ্জামান মাসুদ ওরফে তোতা মাসুদ।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, বিথার হত্যা মামলায় সিআইডি গত ৩১ জুলাই সম্পূরক চার্জশিট দাখিল করে। চার্জশিট গ্রহণ করা সংক্রান্ত বিষয়ে গত ৪ আগস্ট শুনানির দিন ছিল। ওই দিন আদালত বাদী এস এম রফি উদ্দিনকে নোটিস দেন। বাদী নোটিস গ্রহণ করলেও নির্ধারিত দিন ১৮ আগস্ট হাজির না হওয়ায় আদালত ১ সেপ্টেম্বর আদেশের দিন ধার্য করেন। কিন্তু এদিন ও বাদী হাজির হননি। আদালত সম্পূরক চার্জশিট গ্রহণ করেছেন।

এর আগে গত ৩১ জুলাই সিআইডি’র পরিদর্শক শেখ শাহজাহান ৬ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে সম্পূরক চার্জশিট দাখিল করেছিলেন। চার্জশিটে মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক সরদার আনিসুর রহমান পপলু, ইকরাম হোসেন ওরফে সিয়াম ওরফে আকাশ, সুমন হোসেন রাজু, ইমামুল কবীর জীবন ওরফে শবে কাদির, লিয়াকত আলী শিকদার, মোঃ মনিরুজ্জামান মাসুদ ওরফে তোতা মাসুদকে অভিযুক্ত করা হয়।

এছাড়া দাখিল করা চার্জশিটে সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান মিজান ও যুবলীগ নেতা মেজবাহ হোসেন বুরুজের বিরুদ্ধে তদন্ত ও সাক্ষ্য প্রমাণে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদেরকে অব্যাহতির বিষয়টি আদালতের বিবেচনায় রাখা হয়। ইতোপূর্বে দাখিল করা চার্জশিটে তাদের নাম থাকায় আইনগতভাবে সম্পূরক চার্জশিটে এ দু’জনের নাম বাদ দেওয়ার কোনো অবকাশ নেই বলে উল্লেখ করা হয়।

প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালের ১১ জুলাই রাতে নগরীর মুসলমান পাড়া এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে শহীদ ইকবার বিথার নিহত হন।