অল্প বয়সে কম ঘুমে স্থূলতার ঝুঁকি

0
41
sleeping-teen
ঘুমন্ত কিশোরী
girl
ঘুমন্ত কিশোরী-ফাইল ছবি

টিনেজারদের (১৩ থেকে ১৯ বছরের) মধ্যে যারা রাতে ৬ ঘণ্টারও কম ঘুমায় তাদের পরবর্তীতে মোটা হওয়ার হার শতকরা ২০ ভাগ বেশি। আর ৮ ঘণ্টা ঘুমালে তাদের মোটা হওয়ার সম্ভাবনা কম।

যুক্তরাষ্টের কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং নর্থ ক্যারোলিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় এমন চিত্র পাওয়া গেছে।

ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ১৯৯৫ সাল থেকে ২০০১ সালের মধ্যে ১০ হাজার মার্কিন টিনেজারের ওপর এ গবেষণা চালানো হয়।

সম্প্রতি গবেষণাটি পেডিয়েট্রিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষণায় গবেষকরা ১৬ থেকে ২১ বছরের কিশোর-কিশোরীদের বেছে নিয়ে তাদের কাছ থেকে লম্বা, খাটো এবং ঘুমানোর তথ্য সংগ্রহ করেন। পরবর্তীতে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখেছেন তারা।

এতে তারা দেখতে পেয়েছেন, ১৬ বছর বয়সের এক পঞ্চমাংশই ৬ ঘণ্টার কম ঘুমায়। এসব টিনেজার রাতে ৮ ঘণ্টা ঘুমানো টিনেজারদের তুলনায় শতকরা ২০ ভাগ মোটা হয়েছে ২১ বছর বয়সেই।

এছাড়া শরীরচর্চা ও বেশি সময় ধরে টিভি দেখার কারণেও টিনেজাররা মোটা হয় বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। তারা বলছেন, দিনে ঘুম এবং ক্ষুধায় তারা কি ও কীভাবে খায় তাও তাদের মোটা হওয়ার উপর প্রভাব ফেলে।

কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এপিডেমিওলজির সহকারী অধ্যাপক সাকিরা সুগলিয়া জানান, টিনেজাররা পর্যাপ্ত পরিমাণে না ঘুমালে পরবর্তীতে তাদের মোটা হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। আর একবার মোটা হয়ে গেলে তখন ওজন কমানো অনেক কষ্টসাধ্য। এছাড়া অনেক দিন ধরে মোটা থাকলে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা যেমন- হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও ক্যান্সার দেখা দেয়।

তাই টিনেজাররা যাতে রাতে ৮ ঘণ্টারও বেশি ঘুমায় সে বার্তা সব বাবা-মায়ের কাছে পাঠাতে চান সাকিরা।

তিনি বলেন, রাতের ভালো ঘুম শুধু স্কুলেই টিনেজারদের জাগরিত রাখে না, সুস্থ মানুষ হিসেবেও গড়ে তুলতে সাহায্য করে।

এএসএ/