‘অর্থনৈতিক উন্নয়নে উল্টো পথে দেশ’

0
73
hossain-zillur
অর্থনীতিবিদ ও তত্ত্বাবাধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান। ফাইল ছবি

অর্থনীতিবিদ ও তত্ত্বাবাধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান মনে করেন, অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে উল্টো পথে হাঁটছে বাংলাদেশ

সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাব ভিআইপি লাউঞ্জে ‘গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের রূপকার প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম সিদ্দিক’র ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভায়’ তিনি এ মন্তব্য করেন। কিউ আই এস মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন স্মরণসভার আয়োজন করেন।

হোসেন জিল্লুর বলেন, তৃণমূলকে অবজ্ঞা, মেধার অবমূল্যায়ন ও রাষ্ট্রের কর্ণধারদের দায়িত্ববোধ না থাকায় অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে দেশ উল্টো পথে হাঁটছে। ফলে মধ্যম আয়ের দেশ গড়া কঠিন হয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, তৃণমূলের উন্নয়ন ছাড়া দেশের সার্বিক অর্থনীতি আগাবে না। তৃণমূল অবজ্ঞার মাধ্যমে আজ স্থানীয় সরকারকে অকার্যকর করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

মেধার অবমূল্যায়নের মাধ্যমে অযোগ্যতার মহোৎসব চলছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে মেধার কোনো মূল্যায়ন নেই। তোষামোদির সংস্কৃতির মাধ্যমে অযোগ্য লোক প্রশাসনে জেঁকে বসেছে। ফলে দেশ পিছনের দিকে যাচ্ছে। এ থেকে বেরিয়ে এসে আমাদের মেধাবীদের স্থান করে দিতে হবে।

তৃণমূল শক্তিশালী ও মেধার মূল্যায়ন না হলে ভবিষ্যতে মধ্যম আয়ের দেশের সূচকে দেশ পিছিয়ে যাবে বলে তিনি শঙ্কা প্রকাশ করেন।

তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রের কর্ণধারদের মধ্যে আজ দায়িত্ববোধ নেই। মানুষের জীবন উন্নত ও সুখকর করতে দায়িত্ববোধের বিকল্প নেই। দায়িত্ববোধ ছাড়া রাষ্ট্র সুখকর হতে পারে না।

কামরুল ইসলামকে স্মরণ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক এই উপদেষ্টা বলেন, গ্রাম ও শহরের মধ্যে বিচ্ছিন্নতার অভিযোগ থেকে মুক্তি দিয়েছেন কামরুল ইসলাম। এর ফলে আজ বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ হওয়ার স্বপ্ন দেখে। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে তিনি যে অবদান রেখে গেছেন তা তুলে ধরার সময় এসেছে।

সভায় ড. তোফায়েল আহমেদ বলেন, বর্তমানে উপজেলা পর্যন্ত এলজিইডি কে নিয়ে যাওয়ার স্বপ্নদ্রষ্টা কামরুল ইসলাম। এমনকি সারাদেশে ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণ প্রকল্প, পানি সম্পদ, বিদ্যুৎসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রেখেছেন কামরুল।

ফাউন্ডেশনের সভাপতি সাইফুল ইসলাম সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজাম, আরটিভি’র চেয়ারম্যান মোর্শেদ আলম, সাবেক পিডিবি’র প্রকৌশলী খিজির খান, অধ্যাপক ড. বেগম জাহানারা প্রমূখ।

এমআই/