‘লাইফ সাপোর্ট থেকে বের হতে পারছে না বিএনপি’

0
47
আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ
আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ
হাছান মাহমুদ
আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। ফাইল ছবি

আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপিকে লাইফ সাপোর্ট দিয়ে রাখা হয়েছে। শত চেষ্টা করেও এ লাইফ সাপোর্ট থেকে দলটি বের হতে পারছে না।

সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদ’ ও ‘জনতার প্রত্যাশা’ আয়োজিত ‘চলমান রাজনীতি : দেশবাসীর করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, মু্ক্তিযোদ্ধের সময় খালেদা জিয়া পাকিস্তানি এক জেনারেলের হেফাজতে ছিলেন। ওই জেনারেলের মৃত্যুর পর তিনি প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থায় প্রটোকল ভেঙ্গে শোক বার্তা পাঠিয়েছিলেন। এর মাধ্যমে খালেদা জিয়া দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে কালিমা লেপন করেছেন।

প্রধানন্ত্রী ও আওয়ামী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গণতন্ত্রের বিকাশ লাভ করছে উল্লেখ তিনি বলেন, সম্প্রচার নীতিমালা কোনো আইন নয়। নীতিমালা ছাড়া কোনো কিছু চলতে পারে না। নীতিমালার মাধ্যমে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে।

তিনি আর বলেন, বিএনপি-জামাত যখন ক্ষমতায় ছিল তখন আ.লীগের অনেক নেতাকর্মীকে গুম ও খুন করেছিল।  যারা গুম ও খুন করেছে তাদের এ দেশে বিচার করা হবে। সে যে দলেরই হোক না কেন।

যে সব মানবধিকার কর্মীরা গুম খুন নিয়ে রাজনীতি করতে তাদের এই রাজনীতি থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে শুভেচ্ছা জানিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি দেশের অন্যতম রাজনৈতিক দল। আমার তাদের শুভ কামনা করি।

সভায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু বলেন, লুটপাট ও স্বাধীনতার ইতিহাস ধ্বংস করার জন্য ৭৫ সালে হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল। জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর খুনিদের এ দেশে রাজনীতি ও বসবাসের অধিকার দিয়েছিল।

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও তার ছেলে তারেকের উদ্দ্যেশে শামসুল হক টুকু বলেন বলেন, মা ও ছেলে মিলে যে ষড়যন্ত্র করছে তা কোনো দিন সফল হবে না। যারা আ.লীগকে কুলাঙ্গার বলে তারাই আসলে এ দেশের কুলাঙ্গার।

বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদের সভাপতি এম এ করিমের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন সাবেক শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া, সাবেক মন্ত্রী সতীষ চন্দ্র রায়, সাবেক চিপ হুইপ আব্দুস শহিদ, ঢাকা মহানগর আ.লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ্ আলম মুরাদ  প্রমুখ।

এমআই/