না ফেরার দেশে বিয়েবাড়ির রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাস

0
34
Jhenidah BarobaZar
ঝিনাইদহের বারোবাজারে বরযাত্রীাবাহী বাস-ট্রেন সংঘর্ষ। ফাইল ছবি
Jhenidah BarobaZar
ঝিনাইদহের বারোবাজারে বরযাত্রীাবাহী বাস-ট্রেন সংঘর্ষ। ফাইল ছবি

ঝিনাইদহের বারোবাজারের ট্রেন দুর্ঘটনায় আহত রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাস মারা গেছেন। তিনি শৈলকূপা উপজেলার ফুলহরি গ্রামের কৃষ্ণ গোপাল বিশ্বাসের ছেলে।

সোমবার সকাল ৭টার দিকে রাজধানীর ঢাকার এক বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ নিয়ে গত ১ আগস্ট শুক্রবার ভোররাতের ওই দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা ১২ জনে পৌঁছেছে।

রবীন্দ্রনাথের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার পর তাকে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুর্ঘটনায় তার এক হাত কেটে ফেলতে হয়। হঠাৎ তার স্বাস্থ্যের অবনতি হওয়ায় গতকাল রোববার তাকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার রাতে ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার ফুলহরি গ্রামের তাপস কুমার বিশ্বাসের সঙ্গে বিয়ে হয় যশোরের সাকো মথনপুর গ্রামের জ্যোৎস্না বিশ্বাসের। নববধূকে নিয়ে ফেরার পথে শুক্রবার ভোররাত পৌনে ৪টার দিকে কালিগঞ্জের বারোবাজারে অরক্ষিত ক্রসিংয়ে বরযাত্রীবাহী বাসকে ধাক্কা দেয় সৈয়দপুর থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী সীমান্ত এক্সপ্রেস।

দুর্ঘটনার সময় বর, কনে ও বরের বোন অর্থসূচকের সহ-সম্পাদক মুক্তি রানী বিশ্বাসসহ অন্য বরযাত্রীরা বাসটির পেছনে একটি মাইক্রোবাসে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান।

তাদের চোখের সামনেই বাসটিকে ধাক্কাতে ধাক্কাতে নিয়ে যায় ট্রেনটি। প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে গিয়ে ট্রেনটি থামে। ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়ে মুচড়ে যায় বাসটি। এ ঘটনায় ১০ জন বাসযাত্রী নিহত এবং ৪০ জনেরও বেশি আহত হয়।

নিহতদের মধ্যে বর তাপস বিশ্বাসের বড় বোনের স্বামী বিমল বিশ্বাসসহ ৪ নিকট আত্নীয় রয়েছেন। অন্যরা হলো-বরের জেঠাত ভাইয়ের মেয়ে কৃষ্ণা, কৃষ্ণার কাকি বন্যা এবং বন্যার ছেলে কৌশিক।

ঘটনাস্থলে এক অজ্ঞাত লাশ পাওয়া যাওয়ায় গণমাধ্যমে ১১ জন নিহতের খবর প্রকাশ করে।

গত ৬ আগস্ট এ দুর্ঘটনায় আহত আহত রিপন সাহা মারা সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা যান।

এসএম