গুম-খুনের প্রমাণ আছে প্রশাসনে: বি. চৌধুরী

0
83
b. chowdury
এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী- ফাইল ছবি
b. chowdury
অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী- ফাইল ছবি

বিগত দিনের গুম-খুনের অনেক প্রমাণ প্রশাসনের হাতে আছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিকল্প ধারার সভাপতি অধ্যাপক বি. চৌধুরী।

রোববার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের উদ্যোগে ‘আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে ‘গুম ও বর্তমান বাংলাদেশ’’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।

‘আমার অবস্থা কি হবে আমি জানি’ প্রধানমন্ত্রীর এমন কথা প্রসঙ্গে বিকল্প ধারার সভাপতি অধ্যাপক ড. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেছেন, একজন ভীত প্রধানমন্ত্রী দেশ পরিচালনা করছেন। তিনি এই কথা দ্বারা কি বুঝাতেন চান।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী এভাবে কথা বলে জনগনের মাঝে ভয় ও হতাশা সৃষ্টি করতে চাইছেন। তাহলে কি তিনি প্রমাণ করতে চাচ্ছেন যে, তিনি(প্রধানমন্ত্রী) সমস্যায় আছেন।

বি. চৌধুরী বলেন, র‍্যাব-পুলিশ যদি সরকারের অংশ হয়। আর তারা যদি গুম-খুন করে তাহলে এদের দায় সরকারকেই নিতে হবে। এর জবাব প্রধানমন্ত্রীকেই দিতে হবে।

৫ শতাংশ ভোট পেয়ে সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগের নেতারা বড় বড় কথা বলছেন এমন অভিযোগ করে সাবেক রাষ্ট্রপতি বলেন, তারা অগণতান্ত্রিক সরকার গঠন করেছেন। গণতান্ত্রিক কথা বলবে কিভাবে?  নিজেদের রক্ষায় তারা নতুন নতুন আইন তৈরি করছে। তার বড় প্রমাণ বিচারপতিদের অভিশংসন।

তিনি বলেন, যাদের গুম করা হয়েছে তাদের নামে কোনো মামলা নেই। সাদা পোশাকধারী পুলিশ ও র‍্যাব নিরীহ মানুষকে গুম করেছে। রাজনীতির কারণেই তাদের গুম করা হয়েছে। গুম-খুনের অনেক প্রমাণ রয়েছে প্রশাসনের কাছে কিন্তু আজকে তারা(প্রশাসন) স্বীকার করে না।

এসব গুম-খুনের জবাব একদিন প্রধানমন্ত্রীকেই দিতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন,  জনগণের প্রশ্নের উত্তর সরকারের  দিতেই হবে। তখন এসব অপকর্ম আড়াল করতে পারবেন না।

‘সরকারের কাছে বিচারকদের ও নির্বাচন কমিশনকে জবাবদিহি করতে হবে’ সরকারের এমন আচরণে বুঝা যাচ্ছে সরকার মরিয়া হয়ে উঠেছে। সবার প্রতি সরকার আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। আর নিজেদের টিকিয়ে রাখতেই যত জনবিরোধী আইন করছে সরকার।

আন্দোলন ছাড়া আর কোন পথ নেই উল্লেখ করে বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেন, গুম-খুনের বিচার না হওয়া পর্যন্ত গণতন্ত্রকামী মানুষ শান্তি পাবে না।

সংগঠনের আহ্বায়ক রুহুল আমীন গাজীর সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন বিচারপতি আব্দুল রউফ, সাংবাদিক শওকত মাহমুদ প্রমুখ।

জেইউ/