কৃষি পণ্য আমদানিতে আগ্রহী রাশিয়া: বাণিজ্যমন্ত্রী

0
31
ফাইল ছবি।
tofayelকৃষি পণ্য আমদানিতে রাশিয়া আগ্রহ দেখিয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।

বুধবার বিকেলে সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ান ফেডারেশনের রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার নিকোলেভস এর সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, রাশিয়ার বাজারে বাংলাদেশর আলু, চিংড়ি, হিমায়িত খাদ্য, পাটসহ কৃষিপণ্যের বিপুল চাহিদা রয়েছে। রাশিয়া এগুলো আমদানি করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বিশেষ করে আলু আমদানির উপর রাশিয়া বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। আলু সংরক্ষণের জন্য রাশিয়া বাংলাদেশে নিজ খরচে প্রয়োজনীয় হিমাগার স্থাপন করতে চায় বলেও জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, দেশটির চাহিদা মোতাবেক উন্নতমানের আলু চাষের জন্য সরকার ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। দেশের উত্তরাঞ্চলে এ ধরনের আলু চাষে সফল হচ্ছে কৃষক। এছাড়া, দেশটির বাজারে বাংলাদেশের তৈরী পোশাকের বিপুল চাহিদা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, রাশিয়ার বাজারে প্রবেশের পদ্ধতি, কাষ্টমস এর আনুষ্ঠানিকতাসহ নানা বিষয়ে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য সংশ্লিষ্টদের রাশিয়া সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

তোফায়েল আহমেদ জানান, এ বছর শেষ নাগাদ দুই দেশের মধ্যে বৈদেশিক বাণিজ্য এক বিলিয়ন ছাড়িয়ে যাবে।সরকার ৬ষ্ঠ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা মোতাবেক নতুন নতুন রপ্তানি বাজার সৃষ্টি এবং রপ্তানি পণ্যের সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে রাশিয়া বাংলাদেশের বড় রপ্তানি বাজার হতে পাতে পারে। এতে করে দুই দেশের বাণিজ্য ব্যবধান অনেক কমে আসবে।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, এ মহুর্তে দেশে এক লাখ মেট্রিক টন চাল প্রয়োজনের অতিরিক্ত রয়েছে। শ্রীলংকা সরকার বাংলাদেশ থেকে সরকারিভাবে ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল ক্রয়ের আগ্রহ প্রকোশ করেছে। দেশের চাহিদা, খাদ্য নিরাপত্তা, আপদকালীন প্রয়োজন বিবেচনা করে সরকার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে বলেও জানান তিনি।

এদিকে গত ২০১৩ সালের জুলাই থেকে ২০১৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ রাশিয়ার বাজারে ১২ কোটি ৯২ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে, এর বিপরীতে রাশিয়া বাংলাদেশ থেকে ৭ কোটি ৮ লাখ মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে।

এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন উপস্থিত ছিলেন।