প্রকল্প বাস্তবায়নে দেরি হলে ব্যবস্থা: শিল্পমন্ত্রী

0
36
আমু
শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু (ছবি: ফাইল ছবি)
আমু
শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু (ছবি: ফাইল ছবি)

শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু সতর্ক করে জানিয়েছেন, গাফিলতির কারণে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন বিলম্ব হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুধবার শিল্প মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ২০১৩-২০১৪ অর্থবছরে শিল্প মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কর্পোরেশন ও সংস্থার অধীনে বাস্তবায়িত প্রকল্পের মূল্যায়ন সভায় সভাপতিত্বকালে একথা জানান তিনি।

এ সময় তিনি গুণগতমান বজায় রেখে এসব প্রকল্প যে কোনো মূল্যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সমাপ্ত করার তাগিদও দেন।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, শাহজালাল সার কারখানা, সাভার চামড়া শিল্পনগরী, এপিআই শিল্পপার্ক, সিরাজগঞ্জ বিসিক শিল্পপার্কসহ শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতায় গৃহীত সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্পগুলো গুণগতমান বজায় রেখে শিগগিরই বাস্তবায়ন করতে হবে। কারো গাফিলতির কারণে প্রকল্প বাস্তবায়নে দেরি হলে, ব্যর্থতার অভিযোগে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শাহজালাল সার কারখানা নির্মিত হওয়ার সাথে সাথে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান থেকে বুঝে নেওয়ার প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেন, এ লক্ষে দ্রুততার সাথে প্রকল্পের কারিগরি জনবল নিয়োগের পাশাপাশি তাদের জন্য উপযুক্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।

নিয়োগের ক্ষেত্রে ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরিতে কর্মরত দক্ষ জনবলকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরামর্শও দেন তিনি।

বিএসটিআইর কার্যক্রমে অসন্তোষ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, শুধু গুটিকয়েক জায়গায় ভেজালবিরোধী অভিযান পরিচালনা করলে এ সংস্থার দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না।

এ সময় তিনি ফরমালিনসহ খাবারে ভেজাল ও নকল পণ্যের বিরুদ্ধে প্রাতিষ্ঠানিক অভিযান জোরদারের জন্য বিএসটিআইর কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন।

সভায় শিল্প সচিব মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহসহ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সংস্থার প্রধান ও সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির শাহজালাল সার কারখানা নির্মাণ করা হচ্ছে। জ্বালানি সাশ্রয়ী এ নতুন সার কারখানা নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে ৫ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা। ২০১৫ সালের জুন মাসে এটি সমাপ্ত হওয়ার কথা রয়েছে।

সভায় জানানো হয়েছে, ইতোমধ্যে প্রকল্পের প্রায় ৯০ ভাগ কাজ সমাপ্ত হয়েছে। বার্ষিক ৫ লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন এ কারখানা চালু হলে অভ্যন্তরীণ উৎপাদন থেকেই ইউরিয়া সারের চাহিদার বিরাট অংশ পূরণ করা সম্ভব হবে।

এএসএ/