রামদিন-ব্র্যাভোর কাছে মুশফিক-তামিমের হার

0
40
৫৫ রানের ইনিংসে তামিমের একটি শট।

দিনেশ রামদিন-ড্যারেন ব্র্যাভোর কাছে হার মানলেন মুশফিকুর রহিম-তামিম ইকবাল। সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে ৯১ রানে হেরেছে টাইগাররা। একেবারেই শূন্য হাতে সিরিজ শেষ করল চলতি বছরে ওয়ানডে তে জয় না পাওয়া বাংলাদেশ।

Tamim
৫৫ রানের ইনিংসে তামিমের একটি শট।

সোমবার সেন্ট কিটসের ওয়ার্নার পার্কে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৭ উইকেটে ৩৩৮ রান সংগ্রহ করে ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যানরা। ৩৩৯ রানে লক্ষ্যে খেলতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৪৭ রানে থামে টাইগারদের ইনিংস।

বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই আনামুল হক আর দ্বিতীয় ওভারে ইমরুল কায়েস প্যাভিলিয়নে ফিরে যান।

তৃতীয় উইকেটে তামিম-মুশফিকর ৯৯ রানের জুটি কিছুটা হলেও আশার আলো জ্বালাতে সক্ষম হয়। এরপর সুনিল নারাইনের বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফিরেন তামিম (৫৫)। মুমিনুল হকের সংগ্রহ মাত্র মাত্র ৫ রান।

পঞ্চম উইকেটে মুশফিক-মাহমুদুল্লাহ ৫৫ রানের জুটিতে আঘাত হানেন রবি রামপাল। ৭২ রানে প্যাভিলিয়নে ফিরে অধিনায়ক মুশফিক।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে ২৯ রানে ৪ উইকেট তুলে নেন রবিরামপাল।

এর আগে ক্যারিবীয় ব্যাটিং শিবিরে প্রথম আঘাত হানেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। ইনিংসের চতুর্থ ওভারের প্রথম বলে লেন্ডল সিমন্সকে (৬)আউট করেন নড়াইল এক্সপ্রেস খ্যাত এই বোলার। পরের ওভারে আল-আমিন হোসেনের বলে এলবিডব্লিউ’র ফাঁদে পড়েন অপর উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ক্রিস গেইল (৬)।

এরপর ২৫৮ রানের জুটি গড়েন রামদিন-ড্যারেন ব্র্যাভো। ওয়ানডে ম্যাচের তৃতীয় উইকেটের রেকর্ড এই জুটি। ক্যারিবীয়দের শিবিরেও রেকর্ড জুটি এটি।

তৃতীয় উইকেটে আগের রেকর্ডটি ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার হাশিম আমলা ও এবি.ডি.ভিলিয়ার্সের অধিকারে। গত বছর জোহানেসবার্গে পাকিস্তানের বিপক্ষে ২৩৮ রান করেছিলেন তারা। আর ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে সর্বোচ্চ রানের জুটি ছিল শিবনারায়ণ চন্দরপল ও কার্ল হুপারের দখলে। ১৯৯৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে চতুর্থ উইকেটে ২২৬ রানের জুটি গড়েছিলেন তারা।

মাহমুদুল্লাহর শিকারে পরিণত হওয়ার আগে ১২৪ রান করেন ড্যারেন ব্র্যাভো। এটি তার দ্বিতীয় শতক, আর ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রান।

শেষ ওভারে আল-আমিনের বলে নাসিরের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে ১৬৯ রান করেন রামদিন। ওয়ানডেতে এটি তার সর্বোচ্চ রান।শেষ ওভারে পরপর দুই বলে রামদিন ও জেসন হোল্ডারকে ফিরিয়ে দিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগান আল-আমিন। তবে হ্যাটট্রিক বল ঠেকিয়ে তাকে হতাশ করেন নারাইন।

বাংলাদেশের পক্ষে ৫৯ রানের বিনিময়ে ৪টি উইকেট নেন আল আমিন।

এমই/