‘আমি কুমারী’

0
42
deepika-padukone
দীপিকা পাড়ুকোন- ফাইল ছবি

হোমি আদাজানিয়া পরিচালিত ‘ফাইন্ডিং ফ্যানি’ ছবিতে দীপিকা পাড়ুকোন একজন বিধবা। বিয়ের রাতে স্বামী মারা যায় তার। পরে সখ্যতা হয় অর্জুনের সঙ্গে এবং কোনো এক প্রসঙ্গে দীপিকাকে বলতে হয়, তিনি একজন কুমারী।

দীপিকার এই বক্তব্য নিয়ে অর্জুন কোনো আপত্তি তোলেননি, তবে বাধ সেধেছে ভারতের সেন্সর বোর্ড!

সোমবার টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ছবিটি ১ সেপ্টেম্বর মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু সিনেমায় দীপিকা নিজের কুমারিত্ব সংক্রান্ত বক্তব্যটি দেওয়ায় মুক্তি দিতে আপত্তি করছে সেন্সর বোর্ড।

তবে তাদের আপত্তির বিষয়টি আবার মেনে নিতে নারাজ পরিচালক হোমি আদাজানিয়া। মুক্তির আগ মুহূর্তে তাই ভীষণ টানাপোড়েন শুরু হয়েছে দীপিকা-অর্জুন জুটির ছবি ‘ফাইন্ডিং ফ্যানি’ নিয়ে।

এই ছবিতে দীপিকা একজন বিধবা। বিয়ের রাতেই মারা যায় তার স্বামী। বিধবা দীপিকার সখ্যতা হয় অর্জুনের সঙ্গে এবং কোনো এক প্রসঙ্গে দীপিকা অর্জুনকে বলে, আমি একজন কুমারী।

সেন্সর বোর্ডের মতে, এই সংলাপগুলো ছবিতে ‘অযৌক্তিক এবং প্রয়োজনহীন’। তাই এই ছবির জন্য সার্বজনীন ছাড়পত্র পেতে সংলাপটুকু ছেটেঁ ফেলার নির্দেশ দিয়েছে সেন্সর বোর্ড।

কিন্তু ‘ফাইন্ডিং ফ্যানি’র নির্মাতা হোমি উদাহরণ টেনে বলেন, এর আগে শাহরুখ খান আর প্রীতি জিনতা এমন প্রসঙ্গ নিয়ে আলাপ করেন ‘দিল সে’ ছবিতে। কদিন আগে মুক্তি পাওয়া ‘টু স্টেটস’ ছবিতেও আছে এমন প্রসঙ্গ। তাদের ছাড়পত্র পেতে সমস্যা হয়নি, আমার হবে কেন?

এদিকে অভিযোগ উঠেছে সেন্সর বোর্ডে এই সংলাপ নিয়ে যিনি আপত্তি তুলেছেন, সেই দীপক আসলে ক্ষমতাধর কেউ নন। তিনি ভারতের এই প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত সহকারী মাত্র। দীপকের দাবি, তিনি একা নন আরও অনেকেই আপত্তি তুলেছেন।

তবে ছবিটির পরিচালক হোমি কি সিদ্ধান্ত নেবেন তা এখনো জানা যায়নি ।

এএসএ/