পাটের উন্নয়নে ২০০ কোটি টাকা দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক

0
31
jute-Bangladesh

jute-Bangladeshদেশের পাট শিল্প পুনর্জাগরণে রপ্তানির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব পাটকল, রপ্তানিকারক ও ব্যবসায়ীকে স্বল্প সুদে মোট ২০০ কোটি টাকা ঋণ দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক। ৫ বছর মেয়াদী এই ঋণ বণ্টনে দেশের ১৬টি ব্যাংককে দায়িত্বও দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সোমবার দুপুরে বাংলাদেশ ব্যাংকের বোর্ডরুমে ১৬টি ব্যাংকের সঙ্গে এই সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষিঋণ ও আর্থিক সেবাভূক্তি বিভাগের মহাব্যবস্থাপক প্রবাস চন্দ্র মল্লিক এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তারা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তি সই করেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এসকে সুর চৌধুরীর সভাপত্বিতে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক এসএম মনিরুজ্জামান, মহা ব্যবস্থাপক আসাদুজ্জামানসহ অন্য কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে ডেপুটি গভর্নর এসকে সুর চৌধুরী বলেন, নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দারিদ্র বিমোচন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ক্ষেত্রে পাট সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। পরিবেশবান্ধব এ শিল্পে পুনঃঅর্থায়নে বাংলাদেশ ব্যাংক আগ্রহ দেখিয়েছে।

তিনি বলেন, ২০০ কোটি টাকার স্বল্প সুদের এ ঋণের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায় থেকে ব্যবসায়ীরা কাঁচামাল সংগ্রহ করতে পারবে; এর ফলে কৃষকরা আরও বেশি উপকৃত হবেন।

এসকে সুর চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে যে ঋণ প্রদান করা হচ্ছে এটা শুধু গ্রাহকের মাঝে প্রদান করেই শেষ নয়। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো স্টেক হোল্ডারদের কাছ থেকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই টাকা উত্তোলন করবে। আর টাকা উত্তোলনে ব্যর্থ হলে নির্ধারিত সময়ে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো থেকে এই টাকা কেটে নেওয়া হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সংশ্লিষ্ট ১৬টি ব্যাংকে এই ঋণ ৫ শতাংশ সুদে প্রদান করবে; যা সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো স্টেক হোল্ডারদের মাঝে ৯ শতাংশ সুদে প্রদান করতে পারবে। ২০০ কোটি টাকা ঋণের মধ্যে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো পাবে ৪০ শতাংশ। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো পাবে ৪০ শতাংশ ও বাকি ২০ শতাংশ পাবে পাট ব্যবসায়ী ও রপ্তানিকারকরা।

১৬টি ব্যাংকের মধ্যে সোনালী ব্যাংক ৩১ কোটি, অগ্রণী ব্যাংক ৪৪ কোটি, জনতা ব্যাংক ৪৭ কোটি, রূপালী ব্যাংক ৪২ কোটি, বেসিক ব্যাংক ৭ কোটি, আইএফআইসি ব্যাংক ৩ কোটি, ইউসিবিএল ব্যাংক ৬ কোটি টাকা ঋণ দিতে পারবে। এছাড়া ন্যাশনাল, প্রাইম, এবি ও মার্কেনটাইল ব্যাংক পারবে ৩ কোটি টাকা করে। আর উত্তরা ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক ও ব্যাংক এশিয়া ২ কোটি এবং সিটি ও ওয়ান ব্যাংক ১ কোটি টাকা ঋণ দিতে পারবে।