গরু চোরাচালান ঠেকাতে বাড়ছে টহল

0
26
border
ভারত ও বাংলাদেশ সীমান্ত কাঁটা তারের বেড়া।
border
ভারত ও বাংলাদেশ সীমান্ত কাঁটা তারের বেড়া।

সীমান্তে সহিংসা ঘটনা রোধ ও হত্যা শূন্যের কোঠায় নিয়ে আসতে অতিরিক্ত পর্যববেক্ষণ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) ও ভারতের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

নয়াদিল্লীতে অনুষ্ঠিত বিজিবি ও বিএসএফ এর ৩৯তম মহাপরিচালক পর্যায়ে সমান্বিত কনফারেন্সে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে আজ এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

সরকারি সংবাদ সংস্থা বাসস জানায়, দু’দেশের সীমান্তে গরু চোরাচালানের স্পর্শকাতর স্থানগুলোতে রাত্রিকালিন যৌথ সমম্বিত পেট্রোল বাড়ানোর সিন্ধান্ত নিয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিব আহমেদ এবং বিএসএফ’র মহাপরিচালক ডি. কে পাঠক।

দু’দেশের সীমান্তে অপরাধ রোধ, ড্রাগস, অশ্র. মাদক , গরু, স্বর্ণ, জাল টাকার নোট চোরচালান বন্ধ করার সিদ্ধান্তের বিষয়ে জানিয়ে আজিব আহমেদ জানান, এসবের অগ্রগতি নিয় প্রতি ৬ মাস অন্তর পর্যালোচনা বৈঠক করা হবে। উভয়পক্ষই সীমান্ত ব্যবস্থাপনার উন্নয়নের জন্যে একমত হয়ে কতিপয় সিন্ধান্ত নেয় বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

ভারতে বাংলাদেশ থেকে অবৈধ ইমিগ্রেশন সম্পর্কে এক প্রশ্নের উত্তরে জেনারেল আজিজ বলেন, অবৈধ যাতায়াত আছে কিন্তু কোনো অবৈধ ইমিগ্রেশন নেই । তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে ভারতে অবৈধভাবে ইমিগ্রেশনের কোনো যৌক্তিক কারণও নেই। তিনি বলেন, অবৈধ যাতায়াত বন্ধ করার জন্যে আমরা ব্যবস্থা নিয়েছে।

ভারত সীমান্ত হত্যা শূন্যে নিয়ে আসার ব্যাপারে বারবার বাংলাদেশ কে আশ্বাস দেয়ার পরও সীমান্তে হত্যা ঘটছে কেন- এ প্রশ্নের জবাবে বি এসএফ ডিজি ডিকে পাঠক বলেন, হত্যাকাণ্ডের সংখ্যা অনেক কমে এসেছে । আমরা সীমান্ত ব্যবস্থা উন্নয়ের মাধ্যমে পরিস্থিতি আরও ভালো করার চেষ্টা করছি। তিনি বলেন, প্রথমেই গুলি করা হয়না । যখন নিয়ন্ত্রণ করা না যায় তখনই বাধ্য হয়ে গুলি করা হয়।

এ ব্যাপারে বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, সীমান্ত হত্যা কমে এসছে এতে আমরা খুশী কিন্তু যতদিন এটা শুন্যের পযায়ে না আসবে ততদিন আমার এই বিষয়ে কথা বলেই যাব ।

বিএসএফ’র হাতে নিহত ফেলানী হত্যার বিচার সম্পর্কে প্রশ্নের উত্তরে বিএসএফ ডিজি বলেন, পূনরায় বিচারের কাজ চলছে। স্বাক্ষ্য সাবদ জোগার করা একটু সময় সাপেক্ষ তাই বিলম্ব হচ্ছে। তবে সুষ্ঠু বিচার হবে বলে জানান তিনি।

বাংলাদেশের সীমান্ত দিয়ে ভারতে জাল টাকার নোট এবং অস্ত্র প্রবেশ সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তরে বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, বাংলাদেশে কোনো জাল টাকা ছাপানোর বা অস্ত্র তৈরীর কারখানা নেই । এগুলো বিদেশ থেকে আসে। বর্ডার এয়ার পোর্ট কারেন্সি যন্ত্র বসানো হয়েছে । জাল টাকা এবং অস্ত্র ধরার জন্যে আমরা যথেষ্ট তৎপর রয়েছি।

গত ২০ আগস্ট থেকে অনুষ্ঠিত এই কনফারেন্সে বাংলাদেশর ২০ জন প্রতিনিধি যোগ দেন । খবর বাসস