বাংলাদেশ-ভারত কানেকটিভিটি দ্রুত বাড়বে

0
27
রোববার দুপুরে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে ভারত-বাংলাদেশ ব্যবসা সম্মেলন।

ভারতের পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব প্রদেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীক সম্পর্ক জোরদার করতে রেলপথ, সড়কপথ, আকাশপথ ও জলপথে কানেকটিবিটি বাড়ানো হবে। উভয় দেশের মধ্যে ট্রানজিট, ট্রান্সশিপ ও কানেকটিভিটি খুব দ্রুত বাড়ানো হবে।

India-Bangladesh 1
রোববার দুপুরে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে ভারত-বাংলাদেশ ব্যবসা সম্মেলন।

রোববার বিকেলে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে ইন্ডিয়ান চেম্বার অব কমার্স (আইসিসি) এবং ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (আইবিসিসিআই) ভারত-বাংলাদেশ ব্যবসা সম্মেলনে দুই দেশের প্রতিনিধিদের সম্মেলন শেষে এক সংক্ষিপ্ত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ইন্ডিয়ান চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি রুপেন রায় বলেন, বাংলাদেশের ম্যানুফেকচারিং ও অন্যান্যখাতে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী ভারতের ব্যবসায়ীরা।

দুই দেশের মধ্যে পণ্য আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে আখাউড়া স্থলবন্দরে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা দিতে ভারত রাজি বলেও জানান তিনি।

মেঘালয়ের মূখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমা জানান, বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা ইচ্ছা করলে মেঘালয়ের হাইড্রো পাওয়ারে বিনিয়োগ করতে পারবেন।

তিনি বলেন, উভয় দেশে ব্যবসার পরিধি বিস্তার লাভ করছে। বর্তমানে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সরাসরি ব্যবসা সংক্রান্ত আলোচনা হচ্ছে। ফলে ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিধি আরও বাড়বে।

ভারতে নতুন করে বাংলাদেশের কি ধরনের পণ্য রপ্তানি করা যেতে পারে- এ বিষয়ে দ্বিপাক্ষিক সম্মেলনে আলোচনা করা হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

আইবিসিসিআইয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আব্দুল মাতলুব আহমেদ বলে, বিদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আগে সেদেশে অর্থ জমা রাখতে হয়। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার মানি লন্ডারিংয়ের ভয়ে ব্যবসায়ীদের টাকা জমা দেওয়ার অনুমতি দেয়নি এখনও। কিন্তু সরকার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিলে ব্যবসায়ীরা সহজে বিদেশে বিনিয়োগ করতে পারবেন।

ভারতের সঙ্গে আমদানি বেশি ও রপ্তানি কম কেন- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আব্দুল মাতলুব আহমেদ বলেন, বাংলাদেশে পোশাকখাত ছাড়া অন্যখাতে তেমন একটা উৎপাদন নেই। বাংলাদেশে থেকে ভারতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের পরিমাণ কম বলেই রপ্তানি কম। রপ্তানির জন্য সব ধরনের পণ্য উৎপাদন করতে হবে।

এর আগে ব্যবসা সম্মেলনে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাই কমিশনার পঙ্কজ শরণ বলেন, সম্মেলনে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যবসা সংক্রান্ত যে ইস্যুগুলো উথাপিত হয়েছে, সেগুলো ভারতের প্রতিনিধি ও উপস্থিত মন্ত্রীরা পার্লামেন্টে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- আইবিসিসিআইয়ের সভাপতি মোহাম্মদ আলী, ইন্ডিয়ান চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি রুপেন রায়।

জেইউ/