জাবি অধ্যাপক চাকরিচ্যুত, প্রভাষককে অব্যাহতি

0
42
jahangirnagar-university-1
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক। ফাইল ছবি
jahangirnagar-university-1
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়- ফাইল ছবি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অনিয়মের দায়ে এক অধ্যাপককে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। এছাড়া যৌন নিপীড়নের অভিযোগে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এক প্রভাষককে।

শনিবার রাতে নিয়মিত সিন্ডিকেট বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য রাশেদা আখতার।

চাকরিচ্যুত শিক্ষক মোহাম্মদ আলী আকন্দ ‘উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগে’র অধ্যাপক ছিলেন। আর সাময়িকভাবে অব্যাহতি পাওয়া অপর শিক্ষক একেএম আনিসুজ্জামান ছিলেন ‘অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগে’র প্রভাষক।

সিন্ডিকেট সদস্য রাশেদা জানান, ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষে অনুষ্ঠিত ভর্তি পরীক্ষার বিভাগীয় কমিটিতে অবৈধভাবে অন্তর্ভুক্তি এবং এ ঘটনায় বিভাগের ফটকে তালা দিয়ে বিভাগে সংকটাবস্থা তৈরিসহ কয়েকটি অভিযোগে ওই শিক্ষককে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চাকরিচ্যুত করা হয়।

এর আগে গত ১৮ মার্চ অনুষ্ঠিত আরেকটি সিন্ডিকেট সভায় তাকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়। পরে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের লক্ষ্যে উপাচার্য ফারজানা ইসলামকে প্রধান করে একটি উচ্চতর তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

এদিকে, চাকরিচ্যুত শিক্ষক মোহাম্মদ আলী জানান, অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরূদ্ধে কথা বলায় তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।

তবে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে সাময়িক অব্যহতি দেওয়া প্রভাষক আনিসুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি ব্যস্ত আছি, পরে কথা বলব।

এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের অধিকতর তদন্তের জন্য উপাচার্য ফারজানা ইসলামকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও জানান সিন্ডিকেট সদস্য রাশেদা।

প্রভাষক আনিসুজ্জামানের বিষয়ে উপাচার্য ফারজানা ইসলাম জানান, তাকে শিক্ষা কার্যক্রম থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে, তার বিরুদ্ধে প্রাথমিক তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন দিয়েছে। এর ভিত্তিতে অধিকতর তদন্ত কমিটি আরও তদন্ত করবে এবং তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হবে।

চাররিচ্যুত শিক্ষকের বিষয়ে অধ্যাপক ফারজানা বলেন, তিনি বিভাগের শিক্ষক কর্মচারীদের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে অনিয়ম করেছেন। তার মতের বিপক্ষে কথা বললেই বিভাগের শিক্ষক কর্মচারীদের বিভিন্ন সময় তালাবদ্ধ করে রেখেছেন। এ কারণে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এএসএ/