মানুষ হত্যায় জিয়া হিটলারকে ছাড়িয়ে: কামরুল

0
36
খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম
kamrul_islam_
খাদ্যমন্ত্রী এড. কামরুল ইসলাম- ফাইল ছবি

মুক্তিযোদ্ধা কর্ণেল তাহেরসহ হাজার হাজার সেনাসদস্যকে হত্যা করে ফাঁসিতে ঝুলিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। পৃথিবীর ইতিহাসে তার মতো এত বড় হত্যকারী রাষ্ট্রনায়ক আর খুঁজে পাওয়া যাবেনা। মানুষ হত্যায় হিটলারকে ছাড়িয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্যমন্ত্রী এড. কামরুল ইসলাম।

মন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমানের ১৫ আগস্টের অসমাপ্ত কাজ তারেক জিয়া ২১ আগস্ট সমাপ্ত করতে চেয়েছিলেন। তারই পরিকল্পনায় ২০০৪ সালের ২১ আগষ্ট শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল। হাওয়া ভবনেই সব পরিকল্পনা করা হয়। বিএনপি ও জঙ্গিবাদকে আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই।

শনিবার দুপুর ১২টায় কবি নজরুল সরকারী কলেজ শাখা ছাত্রলীগ আয়োজিত জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় একথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনী কর্ণেল মুর্শিদ ও কর্ণেল ফারুক বিভিন্ন সাক্ষাতকারে স্পষ্টই বলেছেন, যখন বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরিকল্পনার কথা তারা জিয়াউর রহমানকে জানান তখন জিয়াউর রহমান বলেছিলেন ‘গো এহেড’। হত্যা মামালার সাক্ষীতে উঠে এসেছে এই পরিকল্পনার মূল হোতা জিয়াউর রহমান।

মুস্তাক, ফারুক, রশিদ ও চাষী মৃত্যবরণ না করলে তাদের নামেও চার্যশীট দাখিল করা হতো বলেও জানান তিনি।

খাদ্যমন্ত্রী আরও বলেন, জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করতে চেয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বাংলাদেশে পুনর্বাসিত করেছিলেন। বিচার করার পথ বন্ধ করেছিলেন। খুনীদের বিদেশী দূতাবাসে চাকরি দিয়েছিলেন।

জিয়াউর রহমানকে উদ্দেশ করে মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন। তিনি (জিয়াউর রহমান) জীবিত থাকলে তার বিরুদ্ধে চার্যশীট দাখিল হতো। ফৌজদারি মামলায় কোন মৃতব্যাক্তির নামে চার্যশীট দাখিল হয়না তাই তিনি চার্যশীটের বাইরে রয়েছেন।

মন্ত্রী বলেন, ১৫ আগস্টের মধ্য দিয়ে বেগম খালেদা জিয়ার উত্থান। এটা তার রাজনৈতিক উত্থান। ১৯৯৬ সালের পর থেকে তিনি (খালেদা জিয়া) ১৫ আগস্টে জন্মদিন পালন শুরু করেন। ২০০৪ সালে ২১ আগস্ট যদি শেখ হাসিনাকে হত্যা করা সম্ভব হতো তাহলে বোধহয় তারেক রহমান ২১ আগস্ট জন্মদিন পালন করতেন। ২১ আগস্ট সারা দেশে গ্রেনেড হামলা করে জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটানোর মূল পরিকল্পনা করেন তারেক জিয়া।

ছাত্রলীগের প্রতি আহবান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ৭১, ৬৯ এবং ৬৬’র ছাত্রলীগের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে হবে।

কবি নজরুল কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মমুনুর রশিদ মামুনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, ঢাকা মহানগর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ সাইদ খোকন, বাংলাদেশ আওয়ামীগ উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক গোলাম সরোয়ার কবির, কবি নজরুল সরকারি কলেজের অধ্যাক্ষ ড. নুরুন নাহার, উপাধ্যাক্ষ অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ প্রমুখ।

এএসএ/