মধুতে আসক্ত হামিংবার্ড

0
59
hummingbird
হামিংবার্ড।
মধুজাতীয় খাদ্যে অভ্যস্ত প্রাণি হামিংবার্ড। সর্বোচ্চ মিষ্টিজাতীয় খাদ্য ‘কোলা’র পরিবর্তে চিনি দিয়ে কখনও বোকা বানানো যায় না এই পাখিটিকে।

hummingbird
হামিংবার্ড।

জার্নাল সায়েন্সে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, হামিংবার্ডের মিষ্টিজাতীয় খাদ্য শনাক্তকরণ ক্ষমতা তাদের বংশগত। মসলাদার স্বাদগ্রহণ প্রক্রিয়া থেকে এটি বিবর্তিত এবং অ্যামিনো অ্যাসিডের স্বাদে সমন্বিত।

এই গবেষণার কাজে মুরগি, স্যুইফ্ট এবং হার্মিংবার্ডের স্বাদের মধ্যে পার্থক্য করা হয়েছে। এই ৩ প্রাণির স্বাদগ্রাহী জিন ক্লোনিংয়ের পর তাদের প্রোটিন নির্ধারণে খাদ্যে জিনের সাড়া পরীক্ষা করা হয়েছে।

এতে দেখা গেছে, মুরগি এবং স্যুইফটের স্বাদগ্রাহী জিনে অ্যামিনো এসিডের তীব্র সাড়া রয়েছে। অপরদিকে মিষ্টি-তিক্ততা-ঝাল-লবণের পার্থক্য করার ক্ষেত্রে দুর্বল প্রাণি হামিংবাড। হামিংবার্ডের স্বাদগ্রাহী জিন শুধুমাত্র মিষ্টি স্বাদে জোরালো সাড়া দেয়।

হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের গবেষক মাওডি ব্যাল্ডউইন বলেন, প্রথমবারের মতো মিষ্টি-তিক্ততা-ঝাল-লবণের স্বাদগ্রাহী জিনে শর্করার পরীক্ষা করা হয়েছে।

এই গবেষণায় মিষ্টি খাদ্য পছন্দের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সময়ে হামিংবার্ডের ১৯টি পরিবর্তন লক্ষ করা গেছে।

কোষ জীববিদ্যা বিভাগের সহযোগী প্রফেসর স্টিফেন লিভারেলস বলেন, হামিংবার্ড প্রজাতিগুলোর মধ্যে দত্তকগ্রহণ একটি জটিল প্রক্রিয়া, এটি সত্যিই অবাক করার মতো।

তিনি বলেন, হামিংবার্ডের স্বাদগ্রাহী জিনের একক পরিবর্তনকে মূলত তাদের আচরণের পরিবর্তন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এটি প্রজাতির বৈচিত্র্যতায় অবদান রাখতে পারে। মূলত আনন্দ ও বিতৃষ্ণা; পুরস্কার ও শাস্তি; মিষ্টি ও তিক্ততার মধ্যে সরাসরি বিচ্ছেদ তৈরি করে স্বাদ পদ্ধতি।

সূত্র: খালিজ টাইমস

এমই/