কানে সুড়সুড়িতে কমে হৃদরোগ!

0
38
Woman Cupping Her Ear Ima
প্রতীকি ছবি

একটি ব্যথা উপশমক যন্ত্র কানে সুড়সুড়ি দিয়ে হৃৎপিণ্ডের রোগ কমাবে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা। কানে সুড়সুড়ি দিয়ে মস্তিষ্কে বৈদ্যুতিক সংকেত পাঠানো ও এর সাহায্যে হার্টবিট সক্রিয় রাখতে সক্ষম হয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

Woman Cupping Her Ear Ima
প্রতীকি ছবি

মস্তিষ্ক উদ্দীপনা র্জানালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, বৈদ্যুতিক উদ্দীপনার সাহায্যে সৃষ্ট কানের সামনে ত্রিমাত্রার কম্পন হৃৎপিণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য করে একে সুস্থ রাখে। ওই যন্ত্রের আঘাতের হার এবং কানের প্রতিরোধক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে এটি করা হবে।

ব্যথা প্রতিরোধের জন্য চামরায় হালকা আঘাতে মস্তিষ্কের সংকেতকে ব্যবহার করেছেন গবেষকরা। ব্যাটারিচালিত যন্ত্রটি সাধারণভাবে দীর্ঘস্থায়ী যন্ত্রণা কিংবা অল্প ব্যথার জন্য ব্যবহার করা যাবে।

স্নায়ুবিজ্ঞানী ও লিডস্ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর জিম ডুয়েচার্স বলেন, যন্ত্রটি সক্রিয় হলেই কানে সুড়সুড়ি হবে কিন্তু ব্যথা অনুভব হবে না। স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার দেখা গেছে, হৃৎপিণ্ডের উন্নতি করবে যন্ত্রটি। হৃৎযন্ত্রের চিকিৎসার অংশ হতে পারে এটি।

গবেষক দলের প্রধান লিডস্ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ডা. জেনিফার ক্ল্যান্সি বলেন, হার্টবিটের গতিশীলতা বৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করেছে এই যন্ত্রটি। অসুস্থ হৃৎপিণ্ড যন্ত্রের মতো ধারাবাহিকভাবে একই বিটে আঘাত করলেও সুস্থ হৃৎপিণ্ড কখনও মাত্রামাপকের মতো কাজ করে না। আলাপচারিতার ধারাবাহিকতায় এর হার্টবিট দ্রুত বা ধীর হতে পারে। এটি পারিপার্শ্বিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে।

তিনি জানান, নার্ভের উদ্দীপনা পরিবর্তনে ২০ শতাংশ পর্যন্ত হার্টবিট বৃদ্ধি পায়। দুর্বল উদ্দীপনায় সহানুভূতিশীল হয়ে সেগুলোকে দমন ও যা হৃৎপিণ্ডের কার্যক্রমকে নিয়ন্ত্রণ করে যন্ত্রটি।

ডা. ক্ল্যান্সি বলেন, নার্ভের কার্যক্রমকে সরাসরি পরিমাপের পর কানের উদ্দীপনা সঙ্গে এর ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি লক্ষ করা গেছে। হৃৎপিণ্ডের রোগ এবং হৃদযন্ত্রের ঝুঁকিতে এর সহানুভূশীল আচরণ গুরুত্বপূর্ণ।

হৃৎপিন্ত সংক্রান্ত রোগ নিয়ন্ত্রণে সহানুভূতিশীল কার্যক্রমে অনেকগুলো চিকিৎসা করা হয়েছে। হরমোনের কার্যক্রম বন্ধে এই সংকেতগুলোর বাস্তবায়ন দেখা গেছে। এই যন্ত্রটি স্নায়ুবিক কার্যক্রম হ্রাসের ক্ষেত্রে সাহায্য করবে।

সূত্র: ডেইলি মেইল

এমই/