বাজারে শীতের সবজি, দাম চড়া

0
85
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

শীত আসতে আরও কয়েক মাস বাকি। অথচ রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে আগাম শীতকালীন শাকসবজি উঠতে শুরু করেছে। শিম, মূলা, ফুলকপি, বাঁধাকপিসহ প্রায় সব ধরনের শীতকালীন সবজি বাজারে উঠেছে। তবে এসব সবজির দাম বেশ চড়া।

শুক্রবার রাজধানীর খিলগাঁ, কমলাপুরসহ বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, শীতকালীন সবজি ফুলকপি প্রতিটি বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকা ও বাঁধাকপি ৩০-৪০ টাকায়। তবে এসবের আকার অনেক ছোট। এছাড়া প্রতিটি জালি কুমড়া ৩০-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর নতুন শিম বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৮০-৯০ টাকা, মূলা ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
খিলগাঁও বাজারের সবজি বিক্রেতা মনসুর বলেন, পাইকারি বাজারে এখন বিভিন্ন ধরনের নতুন সবজি পাওয়া যাচ্ছে। পাইকারি বাজার থেকে এসব সবজি বেশি দামে কিনে আনতে হচ্ছে। বাজারে নতুন আসায় সবজির দাম চড়া। তবে দাম চড়া হলে বিক্রি ভালো হচ্ছে।
মনসুর জানান, তিন থেকে চার সপ্তাহ পর নতুন সবজির দাম কমতে শুরু করবে।
এদিকে গত সপ্তাহের ব্যবধানে বেগুন ও বরবটি কেজিতে ১০ টাকা করে বেড়েছে। বেগুন ৪০-৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৫০-৬০ টাকা ও বরবটি  ৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া করলা ৫০ টাকা, শসা ৪০-৪৫ টাকা, ঝিঙ্গা ৪০ টাকা, কচুরমুখি ৫০ টাকা, পেঁপে ২৫-৩০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০ টাকা, আলু ২৫ টাকা, ধুন্দল ৪০ টাকা, দেশি গাজর ৫০-৬০ টাকা, কচুর লতি ৪০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, প্রতি হালি লেবু ২০-৩০ টাকা ও কাঁচাকলা হালি ২৫-৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
সপ্তাহের ব্যবধানে কাঁচামরিচের দাম কেজিতে ৪০ টাকা কমছে। গত সপ্তাহে ১৬০ টাকা বিক্রি হলেও আজ তা ১২০ টাকা। এছাড়া টমেটো ১৪০ টাকা থেকে কমে ১২০ টাকা, কাকরোল ৫০ টাকা থেকে কমে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
দোকানিরা সবুজ শাক আটি ১০ টাকা, লাউ শাক ২০ টাকা, লাল শাক ৫ টাকা, মূলা শাক ৫ টাকা, পুঁইশাক ১৫-২০ টাকা, ডাটা ১০-১৫ টাকা, কলমি শাক ৫ টাকা ও ধনে পাতা (১০০ গ্রাম) ৩০ টাকায় বিক্রি করছে।
মাংসের বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ৫ টাকা কমে ১৫৫ টাকা, লেয়ার মুরগি ১৮০ টাকা, গরুর মাংস ৩০০ টাকা ও খাসির মাংস ৪৮০-৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মাছের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি পাঙ্গাস ১৩০-২২০ টাকা, মলা ৪৫০-৫০০ টাকা, পোয়া মাছ ৬০০-৭০০, চাষের কৈ ২২০-২৮০ টাকা, চিংড়ি ৫০০-৯০০ টাকা, টেংরা ৫৫০-৭০০ টাকা, পাবদা ৭০০-৯০০ টাকা, শিং মাছ ৫৫০-৮০০ টাকা, রুই ২৮০-৩৮০ টাকা, রুপচাদা ১০৫০-১১০০ টাকা, বাইলা ৫৫০-৭০০ টাকা, চেওয়া ৪৫০-৫০০ টাকা, ছোট ফলি ৩৫০-৪০০ টাকা, মাঝারি তেলাপিয়া ১৮০-৩০০ টাকা, কাতল ৩০০-৪০০ টাকা, দেশি মাগুর ৬০০-৯০০ টাকা ও আকারভেদে ইলিশ প্রতিজোড়া ১২০০-২২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে খেসারি ডাল ৫০ টাকা, দেশি মসুর ডাল ১০৫-১১০ টাকা, ভারতীয় মসুর ডাল ৮০-৮৫ টাকা, অস্ট্রেলিয়ান মসুর ডাল ১১০-১১৫ টাকা, খেসারি ডাল ৪৫ টাকা, ছোলা ৬০ টাকা, মুগ ডাল ১১০-১১৫ টাকা, মটর ডাল ৮০ টাকা, অ্যাংকর ডাল ৪৬, বুট ডাল ৭০ টাকা, খোলা চিনি ৪৬-৪৭ টাকা, প্যাকেট চিনি ৫০ টাকা এবং আটা ৩২ টাকা দরে বিক্রি করছেন দোকানিরা। প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল ১০৫-১১০ টাকা ও পামলিন ৯০ টাকা।
প্রতি কেজি দেশি আদা ১৬০-১৮০ টাকা, চায়না আদা ২৩০-২৪০ টাকা, রসুন ৭০-৮০ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৪০-৪৫ টাকা এবং ভারতীয় পেঁয়াজ ৩৮-৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ফার্মের মুরগির লাল ডিম প্রতি হালি ৩৫ টাকা এবং হাসের ডিম ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
পারিজা চাল প্রতি কেজি ৩৯-৪০ টাকা, মোটা চাল ৩৭-৩৮ টাকা, মিনিকেট ১ নং ৪৮-৫০ টাকা, মিকেট ২ নং ৪৪-৪৫ টাকা, বি.আর. ঊনত্রিশ ৪০ টাকা, বি.আর.আটাশ ৪০-৪২ টাকা, জিরা নাজিরশাইল ৫৮-৬০ টাকা, হাচকি নাজিরশাইল ৪২-৪৩ টাকা এবং পোলাও চাল মানভেদে ৮০-৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এমআই/