লেনদেনে ফিরতে বিলম্ব হবে শাহজিবাজারের

0
108
Shahjibajar_Power
শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (এসপিসিএল) লোগো
Shahjibajar_Power
শাহজিবাজার পাওয়ার

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত জ্বালানি-বিদ্যুত খাতের কোম্পানি শাহজিবাজার পাওয়ারের (এসপিসিএল) লিমিটেডের বিনিয়োগকারীদের ভাগ্য বিড়ম্বনার প্রহর দীর্ঘ হচ্ছে। খুব সহসাই লেনদেনে ফিরতে পারছে না কোম্পানিটি। এ বিষয়ে ধীরে চলো নীতি নিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। আর তাদের কাছ থেকে সবুজসংকেত না পেলে লেনদেনের উপর থেকে স্থগিতাদেশ তুলবে না দুই স্টক এক্সচেঞ্জ।সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

উল্লেখ, শেয়ারের দামে অস্বাভাবিক উর্ধগতির পরিপ্রেক্ষিতে গত ১১ আগস্ট শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের (এসপিসিএল) লেনদেন স্থগিত করে স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষ। অনির্দিষ্টকালের জন্য লেনদেন স্থগিত করা হয়। বিনিয়োগকারী ও বাজারের বৃহত্তর স্বার্থে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ।

ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, বিএসইসির মৌখিক নির্দেশে লেনদেন স্থগিত করা হয়। তাই তাদের কাছ থেকে নতুন নির্দেশনা পাওয়া পর্যন্ত  লেনদেন চালু করবে না তারা।

এদিকে বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারা কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন বন্ধ রাখার পক্ষে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএসইসির একজন উর্ধতন কর্মকর্তা অর্থসূচককে বলেন, তদন্ত কমিটি গঠনের পরও কোম্পানির শেয়ারের দর লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে। বিষয়টি খুবই অস্বাভাবিক।যদি কোনো কারসাজিচক্র এর পেছনে থেকে থাকে তাহলে তারা আবারও এ অপতৎপরতা চালাতে পারে। এমনটি হলে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যাবে। তাই কোম্পানিটির শেয়ার দরের এই পরিবর্তনের পেছনে সত্যিই কোনো কারসাজি ছিল কিনা তা নিশ্চিত হয়ে লেনদেন চালু করাই ভালো।

উল্লেখ, শেয়ারের অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধির পেছনে কোনো কারসাজি আছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে গত ৪ আগস্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বিএসইসি। কমিটিকে ১০দিন সময় বেঁধে দেওয়া হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে তদন্ত শেষ না হওয়ায় কমিটির আবেদনের প্রেক্ষিতে আজ বৃহস্পতিবার কমিটির রিপোর্ট জমা দেওয়ার সময় ২৫ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানো হয়।

উল্লেখ, গত মাসে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর থেকেই এসপিসিএলের শেয়ারের দর অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে। এক মাসেরও কম সময়ে শেয়ারটির দাম ৩৫ টাকা থেকে ৯০ টাকায় ওঠে।

এসপিসিএলের শেয়ারের এই অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে গত ৪ আগস্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। কিন্তু তার পরও শেয়ারটির দামের উল্লম্ফন থামেনি। তদন্ত কমিটির গঠনের পর শেয়ারটির দাম বেড়েছে ২৩ টাকা বা প্রায় ৩৪ শতাংশ।

অর্থসূচক এ বিষয়ে বিনিয়োগকারীদের পরোক্ষভাবে সতর্ক করতে দুটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছিল। তবে বেশিরভাগ বিনিয়োগকারী যে তা কানে নেয়নি সেটি বেশ স্পষ্ট।