দেলোয়ারকে ‘শিগগিরই’ মিডিয়ার মুখোমুখি করবে বিজিএমই

0
44

Delwarতোবা গ্রুপের ৫টি কারখানা চলবে কি না তা জানানোর জন্য এমডি দেলোয়ার হোসেনকে শিগগিরই মিডিয়ার মুখোমুখি করবে তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি। সমিতির সহ-সভাপতি শহীদুল্লাহ আজীম জানিয়েছেন, এর আগে তার সঙ্গে বসে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানতে চাইবেন সংগঠনটির নেতারা।

প্রসঙ্গত, তিন মাসের বকেয়া বেতন ও ঈদ বোনাসের দাবিতে তোবা গ্রুপের ৫ কারখানার ১৪৯৫ জন শ্রমিকের আন্দোলনের মাঝে মুক্তি পান দেলোয়ার হোসেন। তবে তাকে মিডিয়ার সামনে দেখা যায়নি।

এর মাঝে শ্রমিকরা নতুন করে কারখানা খুলে দেওয়ার ও নায্য পাওনার দাবিতে আন্দোলন করার সময় বিক্ষুদ্ধ আন্দোলনের অজুহাত এনে অনির্দিষ্টকালের জন্য কারখানা বন্ধ করে দেন তিনি। দেলোয়ারের অভিযোগ- শ্রমিকরা ধর্মঘটের নামে কারখানার মালামাল লুট, মেশিন ও কাঁচামাল নষ্ট করেছেন। আর এর পেছনে যুক্তি হিসেবে বেছে নিয়েছেন শ্রম আইনের ২০০৬ সালের ১৩(১) ধারা।

শ্রমিকদের অভিযোগ- যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া মেনে কারখানা বন্ধ করলে মালিককে বড় অংকের টাকা গুণতে হবে। দিতে হবে ক্ষতিপূরণ ও ঈদের বোনাস। এ থেকে রেহাই পেতেই মালিক বাঁকা পথে হাটছেন।

তবে এমডি দেলোয়ারের সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বিজিএমইএ নেতারা। সংগঠনটি মনে করে, শ্রম আইন মেনেই ৫টি কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে শহীদুল্লাহ আজীম অর্থসূচককে বলেন, মালিক কারখানা বন্ধ করার আগে শ্রমিকরাই কাজ বন্ধ করে দিয়েছে। উৎপাদন বন্ধ রেখে শ্রমিকদের বিক্ষুদ্ধ আন্দোলনে নিরাপত্তার অভাবও পরিলক্ষিত হয়েছে। তবে মালিক কারখানা চালাবেন কি না- তা পরিস্কার হতে আমরা তার সঙ্গে বসব। পরে তাকে মিডিয়ার মুখোমুখি করা হবে।

তিনি বলেন, কোনো মালিক আইন বহির্ভূত কিছু করতে চাইলে বিজিএমইএ তার পক্ষে থাকবে না। এটা শুধু দেলোয়ারই নন; সবার জন্যই।

এতো শ্রমিকের এখন কি হবে জানতে চাইলে শহীদুল্লাহ আজীম বলেন, কোনো সাব-কন্ট্রাক্টধারী কারখানায় কাজ নেই। তাই নতুন করে চাকরি দেওয়া কষ্টকর হবে।