প্রাধান্য পেয়েছে ‘গ্রেনেড হামলার ১০ বছর’ ইস্যুটি

0
29
enewspaprer

enewspaprerআজ বৃহস্পতিবার দেশের প্রায় সব পত্রিকা ‘গ্রেনেড হামলার ১০ বছর’ ইস্যুটি নিয়ে লিড নিউজ করেছে। আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে চালানো ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার ১০ বছর পূর্ণ হচ্ছে আজ।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। ওই হামলায় আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক আইভি রহমানসহ ২২ জন নিহত হন। আহত হন তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের কয়েক শ নেতা-কর্মী। এদের অনেকে আজও শরীরে গ্রেনেডের স্প্লিন্টার নিয়ে দুঃসহ জীবন যাপন করছেন।

তৎকালীন চারদলীয় জোট সরকারের সময়ে নৃশংস ওই হত্যাযজ্ঞের তদন্ত ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা হয়। কিন্তু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় নতুন তদন্তে বেরিয়ে আসে অনেক অজানা তথ্য। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ক্ষমতায় এসে এর অধিকতর তদন্তের পর বিচার-প্রক্রিয়া শুরু করে। বিচার শেষ করতে আরও অন্তত এক বছর লাগতে পারে বলে মনে করছেন রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিরা।

রাষ্ট্রপক্ষে এ মামলার প্রধান কৌঁসুলি সৈয়দ রেজাউর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, মামলার গতি-প্রকৃতি আইনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াতেই চলছে। তিনি বলেন, এ মামলায় শেখ হাসিনাসহ মোট ৪৯১ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

প্রথম আলোর লিড নিউজের শিরোনাম হলো- ‘বাধা পেরিয়ে এগোচ্ছে বিচার’। এর উপ-শিরোনাম হলো-‘২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ১০ বছর’।

সমকাল লিড নিউজ করেছে- ‘শেখ হাসিনা এখনও ঘাতকের নিশানা’। এছাড়াও পত্রিকাটি ২১ আগস্টের সেই গ্রেনেড হামলার ২টি ছবিও দিয়েছে।

কালের কণ্ঠের লিড নিউজের শিরোনাম হলো- ‘গোপনে এক হচ্ছে জঙ্গিরা’।

দৈনিক ইত্তেফাক ভিন্ন বিষয় নিয়ে লিড নিউজ করেছে। এর শিরোনাম হলো- ‘গাজায় আবার হামলা শিশুসহ নিহত ১৯’। এর টিকার হলো- ‘হামাস কমান্ডারের স্ত্রী-সন্তান নিহত’। আর গ্রেনেড হামলা নিয়ে পত্রিকাটি দ্বিতীয় লিড নিউজ করেছে। এর শিরোনাম হলো- ‘দশ বছরেও শেষ হলো না গ্রেনেড হামলার বিচার’।

ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার লিড নিউজ করেছে- ‘Justice so far away’. এর টিকার হলো- ’98 of 491 witnesses testify till now’.

দ্য ফিনান্সিয়ালের লিড নিউজের শিরোনাম হলো- ‘CBRP launches movement against Saif Powertec’. এর উপ-শিরোনাম হলো- ‘Ctg port braces for strike.’

এএসএ/