গাইবান্ধায় ২০ হাজার ৭শ’ পরিবার পানিবন্দি

0
35
gaibandha
গাইবান্ধায় ২০ হাজার ৭শ’ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ছবি- এস এম জাহিদুল ইসলাম
 gaibandha
গাইবান্ধায় ২০ হাজার ৭শ’ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ছবি- এস এম জাহিদুল ইসলাম

ঘাঘট, ব্রহ্মপুত্র ও করতোয়া নদীর পানি অব্যাহত বাড়তে থাকায় বন্যায় গাইবান্ধায় ২০ হাজার ৭শ’ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এছাড়া সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি, সাঘাটা ও সদর উপজেলার আরও নতুন নতুন এলাকা বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে।

এদিকে তীব্র স্রোতের তোড়ে ভেঙ্গে গেছে সাঘাটা উপজেলার মুন্সিহাটে পানি উন্নয়ন বোর্ড এর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ। বাঁধটি ভেঙ্গে যাওয়ায় মুন্সিরহাট ও উত্তর সাথালিয়া গ্রামের শতশত পরিবার মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।

পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে গাইবান্ধা সদর খারজানি, মোলারচর, কুন্দেরপাড়া, সাঘাটা উপজেলার কানাইপাড়া, পাতিলবাড়ি, কুমারপাড়া, হাটবাড়ি ও ফুলছড়ি উপজেলার গাবগাছি, জামিরা, ঘরভাংগা, এরেন্ডবাড়িসহ ২৪টি পয়েন্টে নদীভাঙ্গন তীব্র আকার ধারণ করেছে।

গত ৩ দিনে জেলার সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি, সাঘাটা ও সদর উপজেলার ১শ’ ৭০টি গ্রামের ৪শ’ ৭০টি পরিবার নদী ভাঙ্গনের শিকার হয়েছে। জেলার ৪টি উপজেলার ১৮টি ইউনিয়নের ৭০টি গ্রাম এখন বন্যা কবলিত। এই আকস্মিক বন্যায় জেলার ২০ হাজার ৭শ’ পরিবার পানিবন্দি হয়ে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘন্টায় ঘাঘট নদীর পানি আরও ২৪ সে.মি. বৃদ্ধি পেয়ে মঙ্গলবার সকালে বিপদ সীমার ২৪ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এছাড়া ব্রহ্মপুত্র ও করতোয়া নদীর পানি বেড়েছে ১৯ সে.মি.। তিস্তা, করতোয়া ও ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি এখন বিপদ সীমার সামান্য নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

ত্রাণ ও পুনর্বাসন দপ্তর সুত্র জানিয়েছে, ১৮টি ইউনিয়নের ৯ হাজার পরিবারের ৪৫ হাজার মানুষ বন্যা কবলিত। সরকারি ত্রাণ সহায়তা বাবদ বন্যা দুর্গত পরিবারের মধ্যে ইতোমধ্যে ৪০ মেঃ টন চাল ও ৪০ হাজার টাকার জরুরী ত্রাণ উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। বন্যা দুর্গত এলাকার জন্য আরও ১শ’ মেঃ টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তবে প্রদানকৃত ত্রাণ সামগ্রী চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল।

এএসএ/