‘শিগগিরই শিল্প-সেবা খাতেও লোক নেবে মালয়েশিয়া’

0
57
প্রবাসী কল্যাণ ভবনে ঢাকা সফররত মালয়েশিয়ার মানব সম্পদমন্ত্রী রিচার্ড আনক রিয়ত জায়েম
প্রবাসী কল্যাণ ভবনে ঢাকা সফররত মালয়েশিয়ার মানব সম্পদমন্ত্রী রিচার্ড আনক রিওত জায়েম (ডানে) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন (ডান থেকে দ্বিতীয়)
প্রবাসী কল্যাণ ভবনে ঢাকা সফররত মালয়েশিয়ার মানব সম্পদমন্ত্রী রিচার্ড রিওত আনক জায়েম (ডানে) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন (ডান থেকে দ্বিতীয়)

ঢাকা সফররত মালয়েশিয়ার মানব সম্পদমন্ত্রী রিচার্ড রিওত আনক জায়ম জানিয়েছেন, চলমান কৃষি ও বনায়ন খাতের পাশাপাশি শিগগিরই শিল্প ও সেবা খাতে বাংলাদেশ থেকে জনবল নেবে দেশটি। আর চলমান কৃষি ও বনায়ন খাতে চলতি মাসেই আরও দেড় হাজার লোক নেবে মালয়েশিয়া।

সোমবার বিকালে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

নিয়ক আনক জায়মের নেতৃত্বাধীন মালয়েশিয়ার প্রতিনিধি দলের ৯ সদস্যের সঙ্গে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে এই বৈঠক হয়। এতে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব খন্দকার ড.শওকত হোসেন, বিএমইটির মহাপরিচালক বেগম সামছুর নাহারসহ বাংলাদেশের ৮ কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে মালয়েশিয়ার মানব সম্পদমন্ত্রী বলেন, মালয়েশিয়া খুব দ্রূত উন্নয়নশীল দেশের মধ্যে অন্যতম। অবকাঠামো উন্নয়নে ও সেবা খাতে আমাদের প্রায় ৩০ লাখ বিদেশি লোক দরকার। দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহ থেকেই আমাদের শ্রমিকের চাহিদা পূরণ করতে হবে। তবে আমাদের চাহিদার শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশ।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিদেশ যেতে ইচ্ছুক শ্রমিকদের মান ও আমাদের চাহিদা নিয়ে বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীর সাথে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। এখানে আমরা জি টু জি (সরকারি ভাবে লোক নেওয়ার চুক্তি) নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেছি। চলমান কৃষি খাতে লোক নেওয়ার প্রক্রিয়া আরও দ্রুত করার পাশাপাশি শিল্প ও সেবা খাতে বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। খুব শিগগিরই আমরা এসব খাতে লোক নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করবো।

মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশিদের নানা অপরাধের কথা বলে জনশক্তি নেওয়া বন্ধ করেছিলো দেশটি। তবে আমাদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় জি টু জি চুক্তির মাধ্যমে শুধু কৃষি খাতেই লোক নিতে সম্মত হয় মালয়েশিয়া। এ চুক্তির ২০ মাস পরও প্রত্যাশিত জনশক্তি পাঠানো সম্ভব হয়নি।

তিনি বলেন, মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য ১৪ লাখ লোক নিবন্ধন করলেও মাত্র সাড়ে ৪ হাজার লোক দেশটিতে যেতে পেরেছেন। তবে এখন দেশটির সরকার সব খাতে লোক নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় খুব দ্রূত সময়েই নিবন্ধকৃতদের মধ্য থেকে উল্লেখ্যযোগ্য সংখ্যক লোক পাঠানো সম্ভব হবে।

নিবন্ধন ছাড়া কোনো লোক নতুন করে উন্মুক্ত হওয়া খাতেও যেতে পারবেন না বলে জানান প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী।

বিশাল সংখ্যার জনশক্তিকে নিবন্ধিত করার পরও চাহিদা থাকতে লোক নেওয়ার প্রক্রিয়া কেন ধীরগতি- এ প্রশ্নে মালয়েশিয়ার মানব সম্পদমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের সরকার পরিবর্তন হওয়ায় এবং চাহিদাপত্র দেওয়া কোম্পানিগুলোর সমস্যা থাকায় খুব বেশি লোক নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে এ মাসের মধ্যেই আরও দেড় হাজার লোক নেওয়া হবে।

এইউ নয়ন