কুবিতে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষে আহত ১২

0
48
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ এবং গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে।

রোববার দিবাগতরাত পৌনে ১২টা থেকে ভোর পর্যন্ত কুবি ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মাসুম ও ইলিয়াস হোসেন সবুজ গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষ চলে।

এতে আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১২জন। এদের মধ্যে তিনজনকে কুপিয়ে আহত করা হয়েছে।

এদিকে সোমবার সকাল ১০টায় এই ঘটনার জের ধরে কুবির প্রধান ফটকে তালা দিয়েছে ইলিয়াস গ্রুপের কর্মীরা। ফলে সাধারণ শিক্ষার্থী ও কুবির বাসগুলো ক্যাম্পাসে ঢুকতে পারছে না।

ক্যাম্পাস সূত্র জানায়, ধীরেন্দ্রনাথ হল থেকে শুরু হয় সংঘর্ষ। তখন প্রায় শতাধিক রাউন্ড গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে।

এ বিষয়ে ইলিয়াস হোসেন সবুজ বলেন, ২০১২ সালে মাসুমকে আহ্বায়ক করে ছাত্রলীগের যে কমিটি ঘোষণা করা হয়, তার মেয়াদ শেষ। তার ছাত্রত্বও শেষ হয়ে গেছে এবং সে বিবাহিত। এসব নিয়ে প্রতিবাদ করার কারণে মাসুম তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে গতকাল রাতে ধীরেন্দ্রনাথ হলে হামলা চালিয়ে ৩ জনকে কুপিয়ে আহত করে। আমার কক্ষসহ বিভিন্ন কক্ষে ভাংচুর এবং লুটপাট চালায়। এ সময় প্রায় শতাধিক রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে তারা। আমরা এর প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে অবস্থান করছি।

তবে মাহমুদুর রহমান মাসুম এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেন, ইলিয়াসের বক্তব্য মিথ্যা। সে ছাত্রলীগে অনুপ্রবেশকারি। সবুজ বিশ্ববিদ্যালয়ে খেলোয়াড় কোটায় ভর্তি হয়েছিল। যদিও খেলোয়াড় কোটা বলে কোন কোটা নেই। সে সদর দক্ষিণের পেরুল ইউনিয়নের ছাত্রদলের সভাপতি এবং বিএনপি নেতা মনিরুল হক চৌধুরী সমর্থিত কুবি ছাত্রদলের সভাপতি। সে কিভাবে ছাত্রলীগের নেতা হয়?

এ বিষয়ে সদর দক্ষিণ থানার সেকেন্ড অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বদরুল জানান, এখন পরিস্থিতি শান্ত। কুবির ফটকের বাইরে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। রাতে ছাত্রলীগের মাসুম ও ইলিয়াস গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। আমরা খবর পেয়ে সেখানে যাই। শব্দ শুনেছি, তবে তা গুলির কিনা জানা নেই।