ইশতেহারে অনুপস্থিত পুঁজিবাজার

0
44

Men_Shareআওয়ামীলীগের নির্বাচনী ইশতেহারে পুঁজিবাজার অনুপস্থিত।এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ শিরোনামের এ ইশতেহারে জায়গা হয়নি অর্থনীতির অন্যতম বড় এই খাতের।কৃষি, শিল্প-বাণিজ্য,কর্মসংস্থান,অভিবাসন-নানা ইস্যুতে প্রতিশ্রুতির ফুলঝুড়ি থাকলেও পুঁজিবাজার প্রসঙ্গেরই উল্লেখ করা হয়নি ইশতেহারে।

শনিবার বিকালে আগামি ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইশতেহার প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এক অনুষ্ঠানে দলটির সভাপতি শেখ হাসিনা এ ইশতেহার প্রকাশ করেন।চার পৃষ্ঠার কাভারসহ ৫২ পৃষ্ঠার এ ইশতেহারে দেড় হাজার লাইন ও প্রায় ১৪ হাজার শব্দ রয়েছে।এতে বর্ণনা করা হয়েছে প্রধান বিরোধী দল বিএনপির নেতৃত্বাধীন আগের সরকারগুলোর নানা ব্যর্থতা ও নিজেদের সাফল্য।তুলে ধরা হয়েছে নানা অঙ্গীকার ও স্বপ্ন।

ইশতেহারের ২৪ নাম্বার পৃষ্ঠা থেকে শুরু হয়েছে আওয়ামীলীগের লক্ষ্য ও ঘোষণার বর্ণনা।মোট ২৪ পৃষ্ঠায় ২৫ টি অনুচ্ছেদে বিভিন্ন বিষয়ে তাদের লক্ষ্য ও অঙ্গীকার তুলে ধরা হয়েছে।এর মধ্যে রয়েছে-দ্রব্যমূল্য ও সামষ্টিক অর্থনীতি,শিল্পায়ন,বিদ্যুত-জ্বালানি,দারিদ্র বিমোচন,কর্মসংস্থান,শিক্ষা ও মানব সম্পদ উন্নয়ন,বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি।কিন্তু এত বিশাল পরিসরেও জায়গা হয়নি পুঁজিবাজারের।

আগামি ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে সরকার গঠনের পর পুঁজিবাজারের উন্নয়নে কোনো বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে কি-না,অর্থনৈতিক উন্নয়নে এ বাজারের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাবে কি-না সে বিষয়ে কিছুই বলা হয়নি ইশতেহারে।

সরকারের বর্তমান মেয়াদে বিভিন্ন খাতে উন্নয়নের নানা ফিরিস্তি তুলে ধরা হয়েছে ইশতেহারে। দাবি করা হয়েছে ব্যাপক সাফল্য। কিন্তু এই সাফল্যগাঁথায়ও জায়গা পায়নি পুঁজিবাজার।

বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের হতাশাঃ

আওয়ামী লীগের ইশতেহারে পুঁজিবাজার বিষয়ে কোনো থাকায় হতাশা প্রকাশ করেছে পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ। শনিবার সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে পরিষদের সভাপতি এ কে এম মিজানুর রশিদ চৌধুরী ও সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: সাজ্জাদুল হক বলেন, ইশতেহারে অথনৈতিক মুক্তি ও শিল্পোন্নয়নের কথা বলা হলেও পুঁজিবাজার ও ক্ষতিগ্রস্ত ৩৩ লাখ বিনিয়োগকারীর কথা বলা হয়নি। পুঁজিবাজার ছাড়া কিভাবে শিল্পোন্নয়ন হয় তা আমাদের বোধগম্য নয়। পুঁজিবাজাপরকে বিকশিত না করে কোনোভাবেই শিল্পোন্নয়ন সম্ভব নয়।