‘বিচার বিভাগও নিয়ন্ত্রণে নিচ্ছে আওয়ামী লীগ’

0
41
rafiqul islam
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া- ফাইল ছবি
rafiqul islam
বক্তব্য রাখছে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া। ছবি- মহুবার রহমান

‘অবৈধ সংসদের’ হাতে বিচারপতি অপসারণের দায়িত্ব দিয়ে আওয়ামী লীগ বিচার বিভাগেও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া।

রোববার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাব কনফারেঞ্জ লাউঞ্জে বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার পরিষদ আয়োজিত ‘তথাকথিত সম্প্রচার নীতিমালা ও বিচারপতি অপসারণ নতুন আইন প্রনয়ণের মাধ্যমে মৌলিক অধিকার হরণের প্রতিবাদে’ আয়োজিত সভায় এ অভিযোগ করেন তিনি।

ব্যারিস্টার রফিকুল বলেন, বিগত সরকার পরিচালনার সময় আওয়ামী লীগ দলীয় ক্যাডার নিয়োগ দিয়ে বিচার বিভাগকে দলীয়করণ করেছে। কিন্তু তাতেও তারা আস্থা পাচ্ছে না। তাই বিচারপতি অপসারণের দায়িত্ব দিতে যাচ্ছে অনির্বাচিত সাংসদদের দ্বারা গঠিত সংসদের হাতে।

আওয়ামী লীগ মানবাধিকার লংঘনকারী দল উল্লেখ করে তিনি বলেন, গণতন্ত্র ধ্বংস করতে তারা জনগণের ম্যান্ডেট ছাড়াই ক্ষমতায় এসেছে। আর সেই ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করতেই সম্প্রচার নীতিমালা করছে। সেই সাথে বিচারবিভাগেরও নিয়ন্ত্রণে নিচ্ছে তারা।

তিনি বলেন, সরকার রাজপথের বিরোধী দলকে ধ্বংস করার যে পরিকল্পনা নিয়েছে তা কার্যকর করতেই গণমাধ্যম ও বিচার বিভাগকে নিয়ন্ত্রণে নিচ্ছে তারা। তাদের এ নিয়ন্ত্রণ দেশে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে।

এ সময় সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য তিনি বলেন, সম্প্রচার নীতিমালা সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদের পরিপন্থী। সংবিধান আপনাদের যে মতপ্রকাশের অধিকার দিয়েছে, নিজেদের স্বার্থে তা বাস্তবায়নের জন্য মতভেদ ভুলে আন্দোলনে নামুন।

দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, আওয়ামী লীগ একনায়কতন্ত্র ও স্বৈরাচারী শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য নীতিমালার নামে ষড়ষন্ত্র করছে। তাদের এসব ষড়ষন্ত্র বন্ধে এখনি গণআন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন মহাসচিব অধ্যাপক আসম মোস্তফা কামাল, নরসিংদী বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খাইরুল কবীর খোকন, স্বাধীনতা ফোরামের সভাপতি আবু নাসের মো. রহমতুল্লাহ প্রমূখ।

এমআই/ এএসএ/