বড় বড় স্বপ্ন সে দেখতে শিখছে এখন

0
46
mother daughter
মা-মেয়ের বন্ধুত্ব

বড় হয়ে যাচ্ছে মন
বড় বড় স্বপ্ন সে দেখতে শিখছে এখন
পৃথিবীটা তাকে হাতছানি দিয়ে ডাকে
মানবে কি করে সে বলুন
আপনার ছোট খাটো শাসন…

অঞ্জন দত্ত গানে গানে মায়েদের বুঝাতে চেয়েছিলেন মেয়ের স্বাধীনতার ব্যাপারটি। মেয়ে বড় হলে তার স্বপ্নের পরিধিও বাড়তে থাকে। কিন্তু মায়ের দিক-নির্দেশনা মাঝে মাঝে যখন কর্তৃত্বে রূপ নেয় তখন মা-মেয়ের সম্পর্কে সৃষ্টি হয় অবাঞ্ছিত জটিলতা।

mother daughter
মা-মেয়ের বন্ধুত্ব

বিশ্ববিদ্যালয়ে শেষ বর্ষে পড়ুয়া সপ্তর্ষির সমস্যাটাও এমনই। তিনি তার গোপন ডায়েরিতে লিখেছেন, আই অ্যাম সিক এন্ড টায়ার্ড অফ ট্রায়িং টু ইমপ্রেস মম। সেই ছেলেবেলা থেকে মায়ের পছন্দ মতো স্কুল, কলেজ, বাইরে যাওয়া, পার্টিতে যাওয়া সবকিছুতে তার মতই শেষ কথা। শি নেভার আন্ডারস্ট্যান্ডস মি। মা বুঝতেই পারে না যে আমি বড় হয়েছি। শি ট্রিটস মি লাইক এ কিড। কিছু বলতে পারি না মাকে যে খুব ভালবাসি।

এটা সপ্তর্ষির একার কথা নয়। সপ্তর্ষির ক্ষোভ আসলে এই বয়সী অনেক মেয়ের মানসেরই প্রতিবিম্ব।

হলিক্রসের ঐশীর অভিযোগ মা তাকে সময় দেন না ঠিকমতো। তার মনে হয় সে বড় একা। এজন্য মায়ের ওপর মাঝে মাঝে প্রচন্ড রাগও হয়।
এরকম পরিস্থিতিতে মা ও মেয়ের জন্য কিছু টিপস জানাচ্ছে অর্থসূচক-

মেয়ের জন্য:
মায়ের কাছে সন্তান চিরকালই ছোট থাকে। তিনি যা করেন সেটা আসলে টেনশনের প্রকাশ। এটা বোঝার চেষ্টা করুন। প্রথমে তর্কে না গিয়ে তাকে বুঝিয়ে বলুন। উপযুক্ত কারণ দেখাতে পারলে তিনি নিশ্চয়ই বুঝবেন। বন্ধুদের এনে মায়ের সঙ্গে আলাপ করিয়ে দিন। বাড়িতে বন্ধুদের গল্প করুন। দেখবেন মা আর দুঃশ্চিন্তা করছেন না। বন্ধুদের কথায় প্ররোচিত হয়ে মাকে ভুল বুঝবেন না। কখনও ভাববেন না মা বোধহয় কৈফিয়ৎ চাইছেন। তাকে এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। মায়ের সামনে অন্যের উদাহরণ টানবেন না। প্রত্যেক পরিবারের কিছু নিয়ম থাকে। পারিবারিক প্রথাকে মূল্য দিন। নিজের পারিবারিক মূল্যবোধ সর্ম্পকে লজ্জা পাবেন না। মায়ের ব্যস্ততাকে মূল্যায়ন করুন।

মায়ের জন্য:

কেবল সন্তানের জন্ম দেওয়া মানেই মা হওয়া নয়; মা হওয়ার অন্যতম প্রধান শর্ত সন্তানকে মানসিক নিরাপত্তা প্রদান। আর এই নিরাপদ আশ্রয়ের আধারটি তো স্নেহময় সান্নিধ্য দিয়েই তৈরি হয়। ব্যস্ততার জন্য আপনি দায়িত্ব এড়াতে পারেন না! মেয়েকে আপনি কতটা সময় দিচ্ছেন, তার পরিমাপ ঘড়ির কাঁটা দিয়ে হবে না। মেয়ে যেন অনুভব করে, ব্যস্ততার মধ্যেও মায়ের সবটুকু মনোযোগ, স্নেহ তার দিকেই। তাহলেই সে তার মায়ের ব্যস্ততাকেও সম্মান করতে শিখবে, একই সঙ্গে নিজেকেও অবহেলিত, অনাদৃত মনে করবে না।
মেয়ের মতামতকে গুরুত্ব দিন। ভাবুন সেও বড় হয়েছে। অহেতুক প্রশ্ন করবেন না।

মা-মেয়ের মধ্যে বন্ধুত্ব তৈরি হলেই সম্পর্কে অবাঞ্ছিত জটিলতা হবে না।

এরকম আরো কিছু সংবাদ


Stephen Hawking

নারী পুরাই রহস্য: হকিং

মাত্র ২১ বছর বয়সে মোটর নিউরন রোগে আক্রান্ত হন স্টিফেন হকিং। সে সময়ে ডাক্তাররা তার জীবনকাল নির্ধারণ করেছিলেন আর মাত্র ২ বছর। কিন্তু মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করতে করতে তিনি পার করলেন আরও ৫১ বছর। এখন ৭২ এ দাঁড়িয়ে এই জীবন্ত কিংবদন্তি।
পদার্থবিজ্ঞানী ও ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের এই প্রফেসর ইতোমধ্যে সন্ধান দিয়েছেন ব্ল্যাক হোলসের। লিখেছেন ‘এ ব্রিফ হিস্টিরি অব টাইম’। যেটি এ যাবতকালের সর্বোচ্চ বিক্রিত গ্রন্থ।

ডিমের পুডিং খেতে পছন্দ করে না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দায়। ডিম পুডিং সকালের নাস্তা কিংবা বাচ্চাদের টিফিনে কিন্তু দারুন মজাদার খাবার। আবার মেহমানদারিতেও রাখতে পারেন এই সুস্বাদু খাবারটি।

অর্থসূচকের পক্ষ থেকে আজ থাকছে ডিম পুডিং-এর রেসিপি।

 


Relationship

মুখোমুখি যখন সাবেক প্রেমিক-প্রেমিকা

রেলগাড়ির কামরায় হঠাৎ দেখা,
ভাবিনি সম্ভব হবে কোনদিন ।।

আলাপ করলেম শুরু –
‘কেমন আছো’, ‘কেমন চলছে সংসার’
ইত্যাদি।

কবিগুরুর কবিতায় সাবেক প্রেমিক-প্রেমিকার সঙ্গে এভাবেই দেখা ও কথা হয়েছিল। বাস্তবেও হাজার স্বপ্নে বোনা সম্পর্কটা একদিন ভেঙে যেতেই পারে। আবার গোলাকার এই পৃথিবীতে চলতে চলতে এক সময় সাবেক প্রেমিক কিংবা প্রেমিকার সঙ্গে দেখাও হয়ে যেতে পারে।


girl.JPG1

রাতজাগা ব্যক্তিরাই বুদ্ধিমান!

রাতের মহিমা তারাই বোঝেন, যারা রাত জেগে কাজ করার ক্ষমতা রাখেন। রাতের নিস্তব্ধতায় নিজের মতো করে সময়টাকে ব্যয় করেন তারা। এসব ব্যক্তিদের আইকিউ সাধারণত অন্যদের চেয়ে বেশি হয়ে থাকে।

গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের আইকিউ বেশি তারা কম আইকিউ-এর মানুষের চেয়ে রাতও জাগেন বেশি।

সম্প্রতি ইলাইট ডেইলির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।


hansikaনারী সবচেয়ে সুখী ২৫ এ

সুখ আপেক্ষিক। প্রত্যেকটা মানুষের কাছে সুখের অর্থ আলাদা হতে পারে। তবে চাপে পড়ে এক সময়কার সুখী মানুষটিই হয়ে ওঠেন অসুখী।

সম্প্রতি ব্রিটেনের এক গবেষণায় উঠে এসেছে ২৫ বছর বয়সে নারীরা সবচেয়ে বেশি সুখী এবং ৩৫ বছরে নারীরা সবচেয়ে বেশি চাপের মধ্যে থাকে।

২০০০ নারীর ওপর চালানো গবেষণায় দেখা গেছে ৩৪ পার করার পরই কর্মক্ষেত্র ও পারিবারিক জীবনের ব্যস্ততার কারণে চাপ সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছায়।


 

ইউএম/