রাতজাগা ব্যক্তিরাই বুদ্ধিমান!

0
88
girl.JPG1
রাতে বই পড়ছে মেয়েটি- ফাইল ছবি
girl.JPG1
রাতে বই পড়ছে মেয়েটি- ফাইল ছবি

রাতের মহিমা তারাই বোঝেন, যারা রাত জেগে কাজ করার ক্ষমতা রাখেন। রাতের নিস্তব্ধতায় নিজের মতো করে সময়টাকে ব্যয় করেন তারা। এসব ব্যক্তিদের আইকিউ সাধারণত অন্যদের চেয়ে বেশি হয়ে থাকে।

গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের আইকিউ বেশি তারা কম আইকিউ-এর মানুষের চেয়ে রাতও জাগেন বেশি।

সম্প্রতি ইলাইট ডেইলির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাধারণ মানুষের মস্তিষ্ক রাতের বেলা ঘুমাতে অভ্যস্ত। তাই তাদের মস্তিষ্ক তৈরিও হয় এমনভাবে যাতে রাতের ঘুম প্রয়োজন হয়। কিন্তু স্বাভাবিকের চাইতে বেশি বুদ্ধিমত্তার ব্যক্তিরা এই নিয়মের শৃঙ্খলে আটকে থাকেন না। বরং নিজের সুবিধামতো সময়টার সদ্ব্যবহার করেন তারা। প্রচলিত নিয়ম ভাঙার একটা অবচেতন ইচ্ছে থেকেও রাত জাগার প্রবণতা দেখা যায় তাদের।

এই গবেষণায় ২০ এর কোঠায় থাকা মানুষের আইকিউ বনাম ঘুমাতে যাওয়া এবং ঘুম থেকে ওঠার সময় হলো এমন :

কম বুদ্ধিমত্তা (IQ < 75)
কর্মদিবস রাত ১১.৪১টা থেকে সকাল ৭.২০টা
ছুটির দিন রাত ১২.৩৫টা থেকে সকাল ১০.০৯টা

সাধারণ বুদ্ধিমত্তা (90< IQ < 110)
কর্মদিবস রাত ১২.১০টা থেকে সকাল ৭.৩২টা
ছুটির দিন রাত ১.১৩টা থেকে সকাল ১০.১৪টা

বেশি বুদ্ধিমত্তা (IQ > 125)
কর্মদিবস রাত ১২.২৯টা থেকে সকাল ৭.৫২টা
ছুটির দিন রাত ১.৪৪টা থেকে সকাল ১১.০৭টা

যাদের আই কিউ ৭৫ এরও কম তারা সাড়ে ১১টার মধ্যেই ঘুমিয়ে পড়েন। আবার যাদের আই কিউ ১২৫ এর বেশি তারা সাড়ে ১২টার পর ঘুমাতে যান। সারাদিনে যা ঘটে তা নিয়ে গভীর চিন্তাভাবনা করা, তা থেকে শিক্ষা নেওয়ার সময় হলো মধ্যরাত। বেশি বুদ্ধিমত্তার ব্যক্তিরা যা করেন:

কল্পনার রাজ্যে হারিয়ে যাওয়ার মোক্ষম সময়:

সারা দিন নানা কাজের ভিড়ে  জীবন নিয়ে ভাবার কোনো সময়ই পাওয়া যায়না। তার জন্য উত্তম সময় হলো রাত। স্মৃতি থেকে হারিয়ে যায় অসাধারণ সব আইডিয়া বের হয় কিন্তু রাতেই। এ সময় সাধারণের গন্ডি ছাড়িয়ে চিন্তাভাবনার গণ্ডি আরও ছড়িয়ে যেতে থাকে।

প্রচলিত নিয়মের ঊর্ধ্বে যেতে পছন্দ করেন:

রাত জাগা ব্যক্তিদের কখনোই ভালো চোখে দেখা হয় না। কিন্তু সমাজের ধরাবাঁধা নিয়মের বাইরে এদের কিছু বৈশিষ্ট্যই তাদের অনন্য করে তোলে। তাই তাদের হাত ধরেই সমাজে আসে অনেক পরিবর্তন।

অনেক বেশি উদার:

রাত জাগা ব্যক্তিরা এমন কিছু ব্যাপারে অভিজ্ঞতা অর্জন করে থাকেন, যা জীবনের ব্যাপারে তাদের দৃষ্টিভঙ্গিকে আরও প্রশস্ত করে। তারা অনেক কিছুকেই নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে বিচার করেন।এতে তারা অন্যদের চাইতে অনেক বেশি উদার মনের অধিকারী হয়ে ওঠেন।

অনেক কর্মক্ষম:

সকালে ঘুম থেকে উঠে অনেক কাজ করা যায় সত্যি, কিন্তু রাত জেগে থাকলেও অনেক কাজ হয়। বরং রাতের কাজে কেউ বিরক্ত করতে আসে না। তাই কাজটা আরও ভালোভাবে করা যায়।

এএসএ/