রংয়ের বাজারে আসছে আরও একটি ভারতীয় কোম্পানি  

0
64
dulux-akzonobel-1
ভারতের কোম্পানি একজো নোবেলের ডুলাক্স ব্র্যান্ডের রং
dulux-akzonobel-1
ভারতের কোম্পানি একজো নোবেলের ডুলাক্স ব্র্যান্ডের রং

বাংলাদেশের বিকাশমান রংয়ের বাজারে নজর পড়েছে ভারতীয় উদ্যোক্তাদের। লোভনীয় এ বাজারে ব্যবসা বাড়াতে আগ্রহী হয়ে উঠছে তারা। এশিয়া পেইন্টসের পর এবার বাংলাদেশের বাজারে আসছে একজো নোবেল (Akzo Nobel)। এসিআই গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এসিআই ফরমুলেশনস লিমিটেড একজোর রং বাজারজাত করবে। খবর বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, ইকোনোমিক টাইমস ও বিজনেস লাইনের।

জানা গেছে, প্রথম পর্যায়ে এসিআই ফর্মুলেশনের মাধ্যমে রং বাজারজাত করা হবে। ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠানটি ডিউলাক্স ব্র্যান্ডের রং পরীক্ষামূলকভাবে বাজারজাত শুরু করেছে। কিছুদিনের মধ্যেই পূর্ণাঙ্গ বাজারজাত কার্যক্রম শুরু হবে। বাজারে নিজেদের ব্র্যান্ডের শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারলে এখানে যৌথ উদ্যোগে কারখানা স্থাপন করবে একজো নোবেল।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত একজো নোবেল ইন্ডিয়ার বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) শেষে কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালবক জয়াকুমার কৃষ্ণাশামী সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বর্তমানে এসিআই ফরমুলেশনসের কারখানা ভাড়া নিয়ে সেখানে ডিউলাক্স ব্র্যান্ডের রং উৎপাদন করা হবে। আর উৎপাদিত এ রং তারাই (এসিআই) বাজারজাত করবে। এসিআই ফরমুলেশনস বছরে ২০ লাখ লিটার রং উৎপাদন করতে পারবে। চাহিদা ৫০ লাখ লিটার ছাড়ালে বাংলাদেশে সরাসরি কারখানা স্থাপন করবেন তারা।

একজো নোবেলের প্রধান নির্বাহী বলেন, বাংলাদেশের রংয়ের বাজারের আকার দেড় হাজার কোটি রূপি। রংয়ের বার্ষিক চাহিদা ১৫ কোটি লিটার। আগাম ২/৩ বছরে তার এ বাজারের ৫ শতাংশ নিজেদের আয়ত্ত্বে নিতে চান। শুরুতে তারা ডেকোরেটিভ পেইন্টস (আবাসন খাতে ব্যবহৃত রং) বাজারজাত করবেন। পরবর্তীতে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পেইন্টসের বাজারজাত শুরু করবেন।

এ ব্যাপারে এসিআই ফরমুলেশনসের দায়িত্বশীল কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হলেও এখন পর্যন্ত একজো নোবেলের সাথে ব্যবসার খবরটি স্টক এক্সচেঞ্জকেও জানায়নি।

উল্লেখ, ভারতের অপর একটি বড় ব্র্যান্ড এশিয়ান পেইন্টস প্রায় এক দশক ধরে বাংলাদেশে ব্যবসা করছে। কনফিডেন্স গ্রুপের সঙ্গে যৌথ বিনিয়োগে কোম্পানি ও কারখানা করেছে তারা।