যে কারণে কমেছে অ্যাক্টিভ ফাইনের ইপিএস

0
105
active-graph
অ্যাক্টিভ ফাইনের মুনাফার তুলনা
active-graph
অ্যাক্টিভ ফাইনের মুনাফার তুলনা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি অ্যাক্টিভ ফাইন কেমিক্যালসের আয় কমেছে সর্বশেষ প্রান্তিকে। কোম্পানিটি ৩০ জুন সমাপ্ত প্রান্তিকে ৫ কোটি ৯৭ লাখ টাকা নিট মুনাফা করেছে। গত বছর এই সময়ে মুনাফার পরিমাণ ছিল ৯ কোটি ১৪ লাখ টাকা। এক বছরের ব্যবধানে মুনাফা কমেছে ৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা বা প্রায় ৩৪ শতাংশ।এ সময়ে শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস ১ টাকা ১০ পয়সা থেকে ৭২ পয়সায় নেমে এসেছে।

কয়েকটি কারণে অ্যাক্টিভ ফাইনের মুনাফায় এমন বড় পতন।তবে এতে বড় ভূমিকা রেখেছে উৎপাদিত পণ্যের চাহিদা হ্রাস এবং পণ্য বিক্রির খরচ বেড়ে যাওয়া।

উল্লেখ, অ্যাক্টিভ ফাইন দেশের একমাত্র এপিআই কারখানা।প্রতিষ্ঠানটি ওষুধের বিভিন্ন কাঁচামাল উৎপাদন করে থাকে।ওষুধে দেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ।দেশি-বিদেশি অনেকগুলো কোম্পানি তাদের উৎপাদিত ওষুধ রপ্তানিও করছে। এসব কারখানায় বিপুল পরিমাণ কাঁচামাল প্রয়োজন, যার প্রায় শতভাগ আমাদানি করতে হয়।

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, আলোচিত প্রান্তিকে অ্যাক্টিভ ফাইন ৩০ কোটি ৭২ লাখ টাকা টাকা মূল্যের কাঁচামাল বিক্রি করেছে। গত বছর একই সময়ে বিক্রির পরিমাণ ছিল ৩১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা।এক বছরের ব্যবধানে বিক্রি কমেছে ৮৩ লাখ টাকা বা ২.৪%।

পণ্যের বিক্রি কমলেও এ খাতে ব্যয় বেড়েছে কোম্পানিটির। গত বছর দ্বিতীয় প্রান্তিকে এখাতে ১৭ কোটি ৭২ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছিল। এবার তা বেড়ে ২০ কোটি ১৪ লাখ টাকায় ওঠে। ব্যয় বাড়ে ১৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকা বা ১৩.৬৪%।

অন্যদিকে আলোচিত সময়ে দীর্ঘমেয়াদী ঋণ বেড়েছে প্রায় ৭২%। গত ৩০ জুনে ঋণের স্থিতি ছিল ৪৪ কোটি ২ লাখ টাকা। যা গত বছর ৩০ জুন শেষে ছিল ২৫ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। এক বছরের ব্যবধানে ঋণ বেড়েছে ১৮ কোটি ৪৫ টাকা।

আগের বছর মোট বিক্রির ওপর ২৮.৯৭% নিট মুনাফা হয়েছিল।এবার তা কমে হয়েছে ১৯.৪৪%।