বেড়েছে পেঁয়াজ ও ডিমের দাম

0
43
Onion-1
পেঁয়াজ-ডিমের ফাইল ছবি
Onion-1
পেঁয়াজ-ডিমের ফাইল ছবি

রাজধানীতে খুচরা বাজারে আদা ও রসুনের দাম কমেছে। তবে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। এছাড়া গত সপ্তাহের তুলনায় এ সপ্তাহে কাঁচাবাজারে টমেটো, বেগুন, কাকরোল করলাসহ বেশিরভাগ সবজির দাম কমেছে।

শুক্রবার খিলগাঁও, মালিবাগসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সপ্তাহ ব্যবধানে প্রতি কেজি দেশি আদা ১৮০-২০০ টাকা থেকে কমে ১৬০-১৮০ টাকা, চায়না আদা ১০ টাকা কমে ২৩০-২৪০ টাকা এবং রসুন ১০ টাকা কমে ৭০-৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

তবে পেঁয়াজ ও ফার্মের মুরগির ডিমের দাম বেড়েছে। সপ্তাহ ব্যবধানে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ৪০-৪২ টাকা থেকে বেড়ে ৪৪-৪৫ টাকা এবং ভারতীয় পেঁয়াজ ৩৮-৪০ টাকা থেকে বেড়ে ৪২-৪৪ দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া ফার্মের মুরগির লাল ডিম প্রতি হালি ৩২ টাকা থেকে বেড়ে ৩৫ টাকা এবং হাসের ডিম ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, সপ্তাহ ব্যবধানে টমেটো প্রতি কেজি ১২০ টাকা থেকে বেড়ে ১৪০ টাকা, বেগুন ৩০-৪০ টাকা বেড়ে ৪০-৫০ টাকা, কাঁকরোল ৩০ টাকা বেড়ে ৫০ টাকা, করলা ৪০ টাকা থেকে বেড়ে ৫০ টাকা, বরবটি ৪০ টাকা থেকে বেড়ে ৫০ ও কাঁচামরিচ ১২০ টাকা থেকে বেড়ে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে সিম ৯০ টাকা থেকে কমে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া বেগুন ৪০-৫০ টাকা, শসা ৩০-৪০ টাকা, ঝিঙ্গা ৪০ টাকা, কচুর মুখি ৫০ টাকা, পেঁপে ২৫-৩০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০ টাকা, আলু ২৫ টাকা, ধুন্দল ৪০ টাকা, দেশি গাজর ৫০-৬০ টাকা, কচুর লতি ৪০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, প্রতি হালি লেবু ২০-৩০ টাকা ও কাঁচাকলা হালি ২৫-৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

সবজি বিক্রেতা রায়হান বলেন, কয়েকদিন থেকে ভারি বৃষ্টির কারণে পাইকারি বাজারে সবজির সরবরাহ কমেছে। এতে করে পাইকারি বাজার দাম বাড়ায় খুচরা বাজারেও কিছুটা দাম বেড়েছে।

দোকানিরা ফুল কপি ৩০-৩৫ টাকা, বাঁধা কপি ৩০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০-৪৫ টাকা, জালি কুমড়া ৩০-৩৫ টাকা, লাউ ৪০-৫০ টাকা, সবুজ শাক আটি ১০ টাকা, লাউ শাক ২০ টাকা, লাল শাক ৫ টাকা, মুলা শাক ৫ টাকা, পুঁইশাক ১৫-২০ টাকা, ডাটা ১০-১৫ টাকা, কলমি শাক ৫ টাকা ও ধনে পাতা (১০০ গ্রাম) ৩০ টাকায় বিক্রি করছে।

মাংসের বাজারে লেয়ার মুরগি কেজি ৫ টাকা বেড়ে ১৮০ দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৬০ টাকা, গরুর মাংস ৩০০ টাকা ও খাসির মাংস ৪৮০-৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত সপ্তাহের তুলনায় মাছের বাজার একটু চড়া। প্রতি কেজি পাঙ্গাস ১৩০-২২০ টাকা, পোয়া মাছ ৬০০-৭০০, বাটা ২৫০-৩০০ টাকা, চাষের কৈ ২৫০-৩০০ টাকা, চিংড়ি ৫৫০-৯০০ টাকা, টেংরা ৬০০-৭০০ টাকা, পাবদা ৬০০-৭৫০ টাকা, শিং মাছ ৫৫০-৮০০ টাকা, রুই ২৮০-৩৮০ টাকা, রুপচাদা- ১০৫০-১১০০ টাকা, বাইলা ৫৫০-৭০০ টাকা, চেওয়া ৪৫০-৫০০ টাকা, ফলি ৪০০-৫০০ টাকা, মাঝারি তেলাপিয়া ১৮০-৩০০ টাকা, কাতল ২৬০-৪০০ টাকা, দেশি মাগুর ৬০০-৯০০ টাকা ও আকারভেদে ইলিশ প্রতি জোড়া ১২০০-২২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে খেসারি ডাল প্রতিকেজি ৪৫ থেকে বেড়ে ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া দেশি মসুর ডাল ১০৫-১১০, ভারতীয় মসুর ডাল ৮০-৮৫ টাকা, অস্ট্রেলিয়ান মসুর ডাল ১১০-১১৫ টাকা, খেসারি ডাল ৪৫ টাকা, ছোলা ৬০ টাকা, মুগ ডাল ১১০-১১৫ টাকা, মটর ডাল ৮০ টাকা, অ্যাংকর ডাল ৪৬, বুট ডাল ৭০ টাকা, খোলা চিনি ৪৬-৪৭ টাকা, প্যাকেট চিনি ৫০ টাকা এবং আটা ৩২ টাকা দরে বিক্রি করছেন দোকানিরা। প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল ১০৫-১১০ টাকা ও পামলিন ৯০ টাকা।

পারিজা চাল প্রতি কেজি ৩৯-৪০ টাকা, মোটা চাল ৩৭-৩৮ টাকা, মিনিকেট ১ নং ৪৮-৫০ টাকা, মিকেট ২ নং ৪৪-৪৫ টাকা, বি. আর. ঊনত্রিশ ৪০ টাকা, বি.আর.আটাশ ৪০-৪২ টাকা, জিরা নাজিরশাইল ৫৮-৬০ টাকা, হাচকি নাজিরশাইল ৪২-৪৩ টাকা এবং পোলাও চাল মানভেদে ৮০-৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এমআই/