‘বঙ্গবন্ধু একটি প্রতীক, এতে বাঙালির আকার পাওয়া যায়’

0
33
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী
বঙ্গবন্ধুর শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার জাবিতে আয়োজিত সভায় বক্তব্য দিচ্ছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী। ছবি- মাহতাব উদ্দীন রবিন

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী বলেছেন, বঙ্গবন্ধু একটি প্রতীক। এই প্রতীকের মধ্যে বাঙালির আকার পাওয়া যায়।

বৃহস্পতিবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান মিলনায়তনের সেমিনার কক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৩৯তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় একথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু  তার নেতৃত্বের গুণে মানুষকে আকৃষ্ট করেই জাতির পিতা হয়েছেন। তিনি মনে করতেন, সংহতি অনেক শক্তিশালী। এ জন্য বঙ্গবন্ধু মানবতার কল্যাণে, মানুষের অধিকার আদায়ের স্বার্থে সংহতি প্রকাশে বিশ্বাসী ছিলেন।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রবিপ্লব করেছিলেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, এখন তার কন্যা সমাজ বিপ্লব শুরু করেছেন। সমাজে বৈষম্য দূর, মানুষের জীবন-জীবিকার উন্নয়ন সাধনের মাধ্যমে এই সমাজ বিপ্লব সফল করতে হবে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির ভাষণে স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. এনামুর রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধু শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেছিলেন।

বিশেষ অতিথির ভাষণে সরকারি কর্মকমিশনের সদস্য জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শরীফ এনামুল কবির বলেন, বঙ্গবন্ধুর নাম এদেশ থেকে কখনোই মুছে ফেলা যাবে না। বঙ্গবন্ধু এদেশের মানুষ, সমাজ, সংস্কৃতির সঙ্গে মিশে আছেন।

সভায় আলোচকের বক্তব্যে সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. খুরশীদা বেগম বলেন, বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে নির্মোহ গবেষণা এখনো হয়নি। তাকে নিয়ে শাস্ত্রীয় গবেষণার সংখ্যাও কম।

সভাপতির ভাষণে উপাচার্য ড. ফারজানা ইসলাম বলেন, এদেশের বিশাল জনগোষ্ঠীকে বর্তমান সরকার বিশাল সম্পদে পরিণত করার প্রয়াস নিয়েছে। এই বিশাল সম্পদের মাঝে বঙ্গবন্ধুর অস্তিত্ব পাওয়া যায়।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় শোক দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আমির হোসেন, ডা. এটিএম আবদুল হান্নান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মাহমুদুর রহমান জনি, সেক্রেটারি রাজীব আহমেদ রাসেল। সভা পরিচালনা করেন রেজিস্ট্রার আবু বকর সিদ্দিক।